October 28, 2026, 4:15 am
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গভর্নরের বৈঠক, ঢাকায় কার্যালয় খোলার আলোচনা বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপ-নির্বাচন: জামায়াত-বিএনপির পাল্টাপাল্টি অভিযোগ আচরণবিধি লঙ্ঘন ও পক্ষপাতিত্বের পত্রিকা: ‘নতুন পে-স্কেলে বেতন দিতে ব্যাংক ঋণ নেয়া বাড়িয়েছে সরকার’ অর্থনীতির বিপদ ক্ষমতাসীনরা টের পেতে শুরু করেছেন মধ্যবর্তী নির্বাচনে হেরে গেলেও কি ট্রাম্পের তাণ্ডব থামবে এখনই কেন দূরে তাকাচ্ছেন না নাজমুল হাতে ব্যালন ডি’অর, মাথায় ব্যবসার বুদ্ধি—যেভাবে দুই ভুবনের ‘রাজা’ কেইন হার্ভার্ডে সম্পূর্ণ অর্থায়নে ফেলোশিপের সুযোগ এআইয়ের সঙ্গে করা চ্যাট ডিলিট করলেও সব ডিলিট হয় না

শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে সেবা দিতে আগ্রহী চার আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান

Reporter Name

অর্থনীতি ডেস্ক: হ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নতুন থার্ড টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব পাওয়া জাপানি কনসোর্টিয়াম চারটি শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং প্রতিষ্ঠানকে মনোনীত করেছে। বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবা আরও আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মনোনীত এই চারটি প্রতিষ্ঠানের মধ্য থেকেই বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পাশাপাশি দ্বিতীয় গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং অপারেটর চূড়ান্ত করা হবে। ইতোমধ্যে অপারেটর হিসেবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে এই প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশ বা বেবিচকের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিক পর্যায়ে নির্বাচিত এই চারটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে যুক্তরাজ্যের সদর দপ্তরভিত্তিক স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান মেনজিস এভিয়েশন। এছাড়া তালিকায় রয়েছে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বিশ্বখ্যাত গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং কোম্পানি সুইসপোর্ট এবং তুরস্কের সুপরিচিত বিমান সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান সেলেবি এভিয়েশন হোল্ডিং। এই তালিকায় চতুর্থ প্রতিষ্ঠান হিসেবে যুক্ত রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রভাবশালী সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক এমিরেটস গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ডানাটা। বিশ্বজুড়ে বিমানবন্দর পরিচালনায় এই প্রতিষ্ঠানগুলোর দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও সুনাম রয়েছে।

জাপানি কনসোর্টিয়ামের পক্ষ থেকে নামগুলো জমা দেওয়ার পর এখন শুরু হয়েছে কঠোর যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া। বাংলাদেশের প্রধান এই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি বা নিয়ন্ত্রক সংক্রান্ত জটিলতা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখবে বেবিচক। এছাড়া সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর পূর্বের কাজের রেকর্ড এবং কোনো ধরনের উদ্বেগজনক তথ্য আছে কি না, সে বিষয়েও পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষা চালানো হবে। এই নিরাপত্তা ছাড়পত্র পাওয়ার বিষয়টি পুরো প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বেবিচকের সবুজ সংকেত বা নিরাপত্তা ছাড়পত্র পাওয়ার পরই কেবল চূড়ান্ত প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবে জাপানি কনসোর্টিয়াম। ছাড়পত্রপ্রাপ্ত যোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্য থেকে পারস্পরিক সমঝোতা এবং চুক্তিভিত্তিক আলোচনার মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট কোম্পানিকে চূড়ান্ত অপারেটর হিসেবে বেছে নেওয়া হবে। এই নতুন অপারেটর যুক্ত হওয়ার ফলে শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে যাত্রীদের সেবার মান বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।