October 28, 2026, 4:15 am
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গভর্নরের বৈঠক, ঢাকায় কার্যালয় খোলার আলোচনা বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপ-নির্বাচন: জামায়াত-বিএনপির পাল্টাপাল্টি অভিযোগ আচরণবিধি লঙ্ঘন ও পক্ষপাতিত্বের পত্রিকা: ‘নতুন পে-স্কেলে বেতন দিতে ব্যাংক ঋণ নেয়া বাড়িয়েছে সরকার’ অর্থনীতির বিপদ ক্ষমতাসীনরা টের পেতে শুরু করেছেন মধ্যবর্তী নির্বাচনে হেরে গেলেও কি ট্রাম্পের তাণ্ডব থামবে এখনই কেন দূরে তাকাচ্ছেন না নাজমুল হাতে ব্যালন ডি’অর, মাথায় ব্যবসার বুদ্ধি—যেভাবে দুই ভুবনের ‘রাজা’ কেইন হার্ভার্ডে সম্পূর্ণ অর্থায়নে ফেলোশিপের সুযোগ এআইয়ের সঙ্গে করা চ্যাট ডিলিট করলেও সব ডিলিট হয় না

ভারতে চলমান আন্দোলনের ভবিষ্যৎ কী?

Reporter Name

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রতিবেশী দেশ ভারতে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন বিষয়ে যেসব আন্দোলন দানা বেঁধে উঠেছে, দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে তার সুদূরপ্রসারী প্রভাব রয়েছে। সাম্প্রতিক এক অনলাইন আলোচনায় এসব বিষয় নিয়ে বিশদভাবে আলোকপাত করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান এই পুরো পরিস্থিতি অত্যন্ত গভীরভাবে মূল্যায়ন করেন। এ কে এম জাকারিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ওই বিশেষ আলোচনাটি মূলত ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক গতিপ্রকৃতির ওপর আলোকপাত করে।

বিশ্লেষকদের মতে, ভারতে গণআন্দোলনগুলোর পেছনে দীর্ঘমেয়াদী আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট কাজ করছে। সাধারণ মানুষের অধিকার এবং নীতিগত নানা বৈষম্যের প্রতিবাদে বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠী রাজপথে নেমে এসেছে। এসব আন্দোলন কেবল স্থানীয় পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা জাতীয় রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলছে। সরকারের নীতিনির্ধারক ও সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হওয়ায় অসন্তোষ দিন দিন আরও ঘনীভূত হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

আলোচনায় বক্তারা উল্লেখ করেন যে, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামোর ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হয়েছে। ভিন্নমত দমনের প্রবণতা এবং বিভিন্ন নাগরিক অধিকার খর্ব করার অভিযোগ তুলে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ প্রতিবাদ চালিয়ে যাচ্ছেন। এই আন্দোলনগুলোর ভবিষ্যৎ কী হবে এবং তা ভারতের রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় কী ধরনের পরিবর্তন আনবে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলেও নানা হিসাব-নিকাশ চলছে।

সার্বিক পর্যালোচনায় উঠে এসেছে যে, ভারতের মতো একটি বিশাল গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে এই ধরনের নাগরিক বিক্ষোভ দীর্ঘমেয়াদে দেশটির রাষ্ট্রীয় নীতি ও শাসনব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে কঠোর হাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হলেও জনরোষ সহজে থামার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। ফলে আগাম দিনে এই আন্দোলনগুলো কীভাবে রূপ নেবে এবং এর শেষ পরিণতি কী দাঁড়াবে, তা সময়ই বলে দেবে।