October 28, 2026, 5:15 am
শিরোনাম :
বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ইউনিক্লোকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান দর্শকের চেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যই যেন বেশি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গভর্নরের বৈঠক, ঢাকায় কার্যালয় খোলার আলোচনা বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপ-নির্বাচন: জামায়াত-বিএনপির পাল্টাপাল্টি অভিযোগ আচরণবিধি লঙ্ঘন ও পক্ষপাতিত্বের পত্রিকা: ‘নতুন পে-স্কেলে বেতন দিতে ব্যাংক ঋণ নেয়া বাড়িয়েছে সরকার’ অর্থনীতির বিপদ ক্ষমতাসীনরা টের পেতে শুরু করেছেন মধ্যবর্তী নির্বাচনে হেরে গেলেও কি ট্রাম্পের তাণ্ডব থামবে এখনই কেন দূরে তাকাচ্ছেন না নাজমুল হাতে ব্যালন ডি’অর, মাথায় ব্যবসার বুদ্ধি—যেভাবে দুই ভুবনের ‘রাজা’ কেইন

বিবিসি বাংলার ৮৫ বছর: রেডিও থেকে স্মার্টফোনের পর্দায় বিশ্বাসের এক দীর্ঘ যাত্রা

Reporter Name

গণমাধ্যম ডেস্ক: বিশ্বের বাংলাভাষী মানুষের কাছে সংবাদ ও তথ্যের এক বিশ্বস্ত মাধ্যম হিসেবে দীর্ঘ পঁচাশি বছর ধরে কাজ করে চলেছে বিবিসি বাংলা। উনিশ শ একচল্লিশ সালের এগারো অক্টোবর এই গণমাধ্যমটির পথচলা শুরু হয়েছিল। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই নানা ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী হয়ে এটি শ্রোতাদের দোরগোড়ায় সঠিক ও নিরপেক্ষ সংবাদ পৌঁছে দিয়েছে। সময়ের বিবর্তনে প্রযুক্তির ব্যাপক পরিবর্তন ঘটলেও এই প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সবসময় অপরিবর্তিত রয়েছে।

শুরুতে কেবল বেতার বা রেডিওর মাধ্যমে অনুষ্ঠান সম্প্রচার করলেও সময়ের সাথে সাথে নিজেদের কার্যক্রমের পরিধি বহুগুণ বাড়িয়েছে এই সংবাদমাধ্যম। আধুনিক যুগের সাথে তাল মিলিয়ে রেডিওর গণ্ডি পেরিয়ে টেলিভিশন এবং পরবর্তীতে ইন্টারনেটের স্মার্টফোন স্ক্রিন পর্যন্ত বিস্তার ঘটেছে তাদের কাজের পরিধি। প্রযুক্তিগত এই পরিবর্তনের ফলে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের মানুষ এখন মুহূর্তের মধ্যে তাদের মুঠোফোনে বিবিসি বাংলার সংবাদ ও অন্যান্য অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পারছেন।

দীর্ঘ এই যাত্রাপথে বিশ্ব রাজনীতি, অর্থনীতি ও সামাজিক ক্ষেত্রে নানা নাটকীয় পরিবর্তন এলেও বিবিসি বাংলা তাদের সম্পাদকীয় নীতিমালায় সবসময় অবিচল ছিল। বস্তুনিষ্ঠতা, নিরপেক্ষতা এবং সত্যের প্রতি কঠোর আনুগত্য বজায় রেখে তারা সংবাদ পরিবেশন করে গেছে। বাহ্যিক রূপ ও প্রযুক্তির প্রকাশ যতই বদলাক না কেন, দর্শক, পাঠক ও শ্রোতাদের প্রতি তাদের যে নৈতিক দায়বদ্ধতা রয়েছে, তা সবসময় বজায় রাখা হয়েছে।

সংবাদ জগতের এই সুদীর্ঘ পথচলায় কোটি কোটি মানুষের আস্থা অর্জন করতে পেরেছে এই গণমাধ্যমটি। বর্তমান ডিজিটাল যুগেও প্রথাগত সাংবাদিকতার মানদণ্ড বজায় রেখে তারা আধুনিক প্রজন্মের কাছে নিজেদের প্রাসঙ্গিকতা ধরে রেখেছে। আগামী দিনেও বাংলাভাষী মানুষের বিশ্বস্ত সংবাদের উৎস হিসেবে বিবিসি বাংলা তাদের এই ঐতিহাসিক ধারা অব্যাহত রাখবে বলে আশা করা যায়।