October 28, 2026, 1:59 pm
শিরোনাম :
নার্সিসিস্টিক অ্যাবিউজের কারণে মস্তিষ্কের যে ধরনের ক্ষতি হয় ‘আওয়ামী স্টাইলে দেশ চালাতে চাইলে পরিণতিও তাদের মতোই হবে’ দক্ষ জনশক্তি গড়তে কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে বললেন রাষ্ট্রপতি ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধির আপাতত পরিকল্পনা নেই, জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী যে কারণে ২৫টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের দ্বিতীয় শিফট স্থগিত করল সরকার টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী দেশ মাফিয়া রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে: নাহিদ ইসলাম ৫ বছরে এক কোটি মানুষ বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্য: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী বিমান চলাচলের নিরাপত্তায় বিনিয়োগ জাতীয় অগ্রগতির ভিত্তি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর চিকিৎসাসেবার ইতিহাসে কালো অধ্যায়: জামায়াত আমির

পর্যটকবাহী জাহাজে ডাকাতির চেষ্টা, বনরক্ষীদের গুলিতে পিছু হটল দুর্বৃত্তরা

Reporter Name

বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবনের কটকা অভয়ারণ্য এলাকায় পর্যটকবাহী একটি জাহাজে ডাকাতির প্রস্তুতির চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার রাতে সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের কটকা খালের সাগর মোহনায় নোঙর করে রাখা পর্যটকবাহী জাহাজ ‘দি ওয়েভ-২’-এর দিকে একটি সন্দেহজনক ইঞ্জিনচালিত ফিশিং ট্রলার এগিয়ে আসতে থাকে। ওই ট্রলারে থাকা ব্যক্তিদের গতিবিধি অত্যন্ত সন্দেহজনক ঠেকায় স্থানীয় জেলেরা বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে বনরক্ষীদের অবহিত করেন এবং সতর্কবার্তা পাঠান।

খবর পাওয়া মাত্রই কটকা অভয়ারণ্য কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত বনরক্ষীরা দ্রুত একটি ট্রলার নিয়ে ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হন এবং সন্দেহভাজন জলদস্যু বোঝাই ট্রলারটির পিছু ধাওয়া করেন। বনরক্ষীদের উপস্থিতি টের পেয়ে দুর্বৃত্তরা পালানোর চেষ্টা করলে তাদের থামানোর জন্য চার রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ করা হয়। কটকা অভয়ারণ্য কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেস্টার তানভীর হাসান ইমরান জানান, বনরক্ষীদের সাহসিকতা ও তাৎক্ষণিক গুলিবর্ষণের মুখে পড়ে অপরাধীরা দ্রুত তাদের ট্রলারের গতিপথ পরিবর্তন করে গভীর সাগরের দিকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।

ঘটনার সময় ওই এলাকার কটকা অভয়ারণ্যে ‘দি ওয়েভ-২’ ছাড়াও ‘আরালসী’ নামের আরও একটি পর্যটকবাহী জাহাজ নোঙর করা অবস্থায় ছিল। ‘দি ওয়েভ-২’ জাহাজের মাস্টার মো. শামিম আলম গণমাধ্যমকে জানান, দুটি জাহাজে দেশি ও বিদেশি নাগরিক মিলিয়ে মোট ৯৭ জন পর্যটক অবস্থান করছিলেন। হঠাৎ এমন একটি ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে পর্যটকদের মাঝে কিছুটা আতঙ্ক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হলেও বনরক্ষীদের সময়োপযোগী পদক্ষেপে শেষ পর্যন্ত কোনো ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা বা দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী এই ঘটনার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছেন, কটকার মতো গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় পর্যটন এলাকায় পর্যটকবাহী জাহাজের কাছাকাছি এভাবে দুর্বৃত্তদের হানা দেওয়ার চেষ্টা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বন বিভাগের পক্ষ থেকে পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সুন্দরবনাঞ্চলে এ ধরনের অপরাধমূলক তৎপরতা রোধে গোয়েন্দা নজরদারি ও নিয়মিত টহল আরও জোরদার করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।