October 29, 2026, 6:57 am
শিরোনাম :
৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম বেতনের দাবিতে সড়কে পোশাকশ্রমিকেরা ইলিশ ধরতে জেলেদের প্রস্তুতি, নিষেধাজ্ঞা উঠছে আজ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে ছোট করে দেখছি না, সুন্দর ভোট হচ্ছে: সিইসি ফের বাড়ল সোনার দাম, ভরি যত হলো ঠাকুরগাঁও-১ আসনে চলছে ভোট গ্রহণ: কর্মকর্তাদের কার্ডে ছবি না থাকায় উদ্বিগ্ন দেলাওয়ার বেহেশতের টিকিট বিক্রি করে বিরোধী দলের আসনে বসেছে জামায়াত: এস এম জিলানী জয়ের আশা বিএনপির প্রার্থীর, প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কার্ডে ছবি না থাকার অভিযোগ জামায়াতের জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী নে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী ভোট দিয়ে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল বললেন, ‘শতভাগ জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী’ প্রাণ-আরএফএল প্রেজেন্টস প্রিজম এআই ক্রিয়েটিভ অ্যাওয়ার্ডসের চূড়ান্ত বিচারকার্যে দেশের বিশিষ্টজনেরা

ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসব বন্ধে প্রয়োজনীয় সব করা হবে: ধর্মমন্ত্রী

Reporter Name

জাতীয় ডেস্ক: সমাজ থেকে মাদক, ঘুষ, দুর্নীতি এবং বিভিন্ন ধরনের অন্যায়-অবিচার দূর করতে আলেম ও ইমাম সমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, সমাজের নৈতিক অবক্ষয় রোধে ধর্মীয় নেতাদের প্রভাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং তাদের সঠিক দিকনির্দেশনা সাধারণ মানুষের মাঝে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে।

ধর্মমন্ত্রী বিশেষ করে জুমার নামাজের খুতবায় নিয়মিতভাবে এসব সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে কথা বলার ওপর জোর দেন। তার মতে, মসজিদগুলো কেবল ইবাদতের স্থান নয়, বরং তা নৈতিক শিক্ষা ও জনসচেতনতা তৈরির অন্যতম বড় কেন্দ্র। জুমার খুতবায় মাদকের কুফল, দুর্নীতির ভয়াবহতা এবং অন্যায়ের পরিণতি তুলে ধরলে তা মুসল্লিদের মনে গভীর রেখাপাত করবে এবং সমাজ সংস্কারে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

মন্ত্রী আরও বলেন যে, দেশের ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে যাতে কোনো ধরনের অনিয়ম বা নেতিবাচক কার্যক্রম না ঘটে, সে বিষয়ে সরকার অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং ধর্মীয় শিক্ষার সঠিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ধর্মীয় প্রতিনিধিরা মন্ত্রীর এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেন এবং সমাজ গঠনে আলেম সমাজের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তারা মনে করেন, প্রশাসন ও ধর্মীয় নেতৃত্বের যৌথ প্রচেষ্টায় দেশ থেকে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বহুলাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।