October 28, 2026, 6:11 am
শিরোনাম :
সমুদ্রে মাছের অভয়াশ্রম তৈরি করা হচ্ছে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আইজিপির দায়িত্ব থেকে অতি দ্রুত সরে যাওয়া উচিত: নাহিদ ইসলাম ভারি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত অন্ধ্রপ্রদেশের জনজীবন, প্রায় ২ লাখ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ইউনিক্লোকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান দর্শকের চেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যই যেন বেশি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গভর্নরের বৈঠক, ঢাকায় কার্যালয় খোলার আলোচনা বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপ-নির্বাচন: জামায়াত-বিএনপির পাল্টাপাল্টি অভিযোগ আচরণবিধি লঙ্ঘন ও পক্ষপাতিত্বের পত্রিকা: ‘নতুন পে-স্কেলে বেতন দিতে ব্যাংক ঋণ নেয়া বাড়িয়েছে সরকার’ অর্থনীতির বিপদ ক্ষমতাসীনরা টের পেতে শুরু করেছেন

দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় মাঠে বিজিবি-এসআরবি-পুলিশ-আনসার, আকাশে হেলিকপ্টার-ড্রোন

Reporter Name

জাতীয় ডেস্ক: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সারা দেশের পূজামণ্ডপগুলোতে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। দেশের প্রতিটি মণ্ডপে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি এবং এসআরবি সদস্যরা যৌথভাবে মাঠে নেমেছেন। পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তাদানের পাশাপাশি যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিহত করা এবং প্রতিমা বিসর্জন কার্যক্রম শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে বিশেষ কৌশলগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মাঠপর্যায়ের টহলের পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করে সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা জানান, দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। যেকেনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য বিশেষ কমান্ডো টিম, স্ট্রাইকিং ফোর্স, ডগ স্কোয়াড এবং বোম ডিসপোজাল ইউনিটকে সর্বদা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চলের মণ্ডপগুলোর সুরক্ষায় বিশেষ বেজ ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়েছে। নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে ২৪ ঘণ্টা সার্বিক কার্যক্রম মনিটরিং করা হচ্ছে যাতে তাৎক্ষণিকভাবে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানো যায়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী এবার সারা দেশের প্রায় ৩২ হাজার পূজামণ্ডপকে নিরাপত্তার স্বার্থে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে অধিক গুরুত্বপূর্ণ এবং গুরুত্বপূর্ণ মণ্ডপগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। আনসার ও ভিডিপি সদসদের পাশাপাশি এসআরবির পক্ষ থেকেও নিয়মিত টহল ও মোবাইল স্ট্রাইকিং টিম সক্রিয় রয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পূজা উদ্‌যাপন উপলক্ষে সুনির্দিষ্ট কিছু নির্দেশনা জারি করা হয়েছে, যার মধ্যে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, দর্শনার্থী তল্লাশি এবং স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়োজিত রাখার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করা হয়েছে, যার অংশ হিসেবে বিশেষ অ্যাপের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও পূজা কমিটির মধ্যে দ্রুত যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে। পাশাপাশি আকাশপথে ড্রোন ও হেলিকপ্টার দিয়ে নজরদারি চালানো হচ্ছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেকোনো ধরনের গুজব প্রতিরোধে সাইবার মনিটরিং দল তৎপর রয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে যে রাজধানীর প্রতিটি মণ্ডপ উন্নত প্রযুক্তির ক্যামেরার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রতিমা বিসর্জনের সময় পর্যাপ্ত আলো, নৌ টহল এবং সুনির্দিষ্ট রুট মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যাতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা সম্পন্ন হয়।