October 28, 2026, 1:45 am
শিরোনাম :
এআইয়ের সঙ্গে করা চ্যাট ডিলিট করলেও সব ডিলিট হয় না এআইয়ের পানি ব্যবহার নিয়ে স্যাম অল্টম্যানের দাবি কতটা সত্য জীববৈচিত্র্য: প্লাস্টিক বর্জ্যে সয়লাব সুন্দরবন পোশাক রপ্তানি বেড়েছে, পিছিয়ে উচ্চমূল্যের পণ্য বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া আলোচনা: মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির পথে দুই দেশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছে না নেতানিয়াহু বা বিরোধী জোট, রেকর্ড সংখ্যক আসন পাচ্ছে আরব দলগুলো প্রার্থী বাছাইয়ে এমপিদের নিয়ে চিন্তায় বিএনপি ঢাকা-রিয়াদ ফ্লাইট নিয়ে সুখবর দিল সৌদিয়া এয়ারলাইন্স ঘরে বসে কোরআনের অর্থ শিখবেন যেভাবে ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তনে গলাকাটা ফি নির্ধারণ করে শিক্ষার্থীদের জিম্মি করা চলবে না: মুসাদ্দিক

দুদকের মামলায় ছেলেসহ গ্রেপ্তার দেখানো হলো শাজাহান খানকে

Reporter Name

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের একটি মামলায় সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান এবং তাঁর ছেলে আসিবুর রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. শাহজাহান কবির দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন। এর আগে মামলার শুনানির জন্য কারাগার থেকে বাবা ও ছেলেকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আদালতে হাজির করা হয়। পরে দুদকের পক্ষ থেকে তাঁদের এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হলে বিচারক তা আমলে নেন।

আদালতে শুনানিকালে আসামিপক্ষের আইনজীবী মিজানুর রহমান বাদশাহ অভিযুক্তদের জামিনের জন্য আবেদন করেন। উভয় পক্ষের আইনি যুক্তি শুনে আদালত আগামী ১৫ অক্টোবর জামিন শুনানির পরবর্তী দিন নির্ধারণ করেন। একই সঙ্গে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন নির্ধারিত থাকলেও দুদক নির্দিষ্ট সময়ে প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি। ফলে আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করে আগামী ২৫ নভেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।

দুদকের করা মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসিবুর রহমান একজন নিয়মিত করদাতা হওয়া সত্ত্বেও তাঁর নামে প্রায় ১১ কোটি ৭৯ লাখ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি পাওয়া গেছে। অথচ তাঁর বৈধ আয়ের উৎস যাচাই করে মাত্র ১ কোটি ৯০ লাখ টাকার সন্ধান মিলেছে। তদন্তে তাঁর বিরুদ্ধে প্রায় ৯ কোটি ৮৯ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ও অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, শাজাহান খান মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য হিসেবে নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে অর্জিত অর্থ দিয়ে ছেলেকে এসব সম্পদ গড়ে তুলতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহায়তা করেছেন। দুদকের উপপরিচালক কমলেশ মণ্ডল বাদী হয়ে গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে এই মামলাটি দায়ের করেন। উল্লেখ্য, গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসের বিভিন্ন সময়ে রাজধানীর ধানমন্ডি ও হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাবা ও ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তখন থেকেই তারা কারাগারে বন্দি রয়েছেন এবং বিভিন্ন সময়ে জুলাই আন্দোলনের বিভিন্ন মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।