October 29, 2026, 6:56 am
শিরোনাম :
৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম বেতনের দাবিতে সড়কে পোশাকশ্রমিকেরা ইলিশ ধরতে জেলেদের প্রস্তুতি, নিষেধাজ্ঞা উঠছে আজ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে ছোট করে দেখছি না, সুন্দর ভোট হচ্ছে: সিইসি ফের বাড়ল সোনার দাম, ভরি যত হলো ঠাকুরগাঁও-১ আসনে চলছে ভোট গ্রহণ: কর্মকর্তাদের কার্ডে ছবি না থাকায় উদ্বিগ্ন দেলাওয়ার বেহেশতের টিকিট বিক্রি করে বিরোধী দলের আসনে বসেছে জামায়াত: এস এম জিলানী জয়ের আশা বিএনপির প্রার্থীর, প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কার্ডে ছবি না থাকার অভিযোগ জামায়াতের জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী নে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী ভোট দিয়ে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল বললেন, ‘শতভাগ জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী’ প্রাণ-আরএফএল প্রেজেন্টস প্রিজম এআই ক্রিয়েটিভ অ্যাওয়ার্ডসের চূড়ান্ত বিচারকার্যে দেশের বিশিষ্টজনেরা

দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েও ওএমএসের চাল ও আটা মিলছে না ফেনীতে

Reporter Name

জাতীয় ডেস্ক: ফেনীতে ওএমএস বা খোলা বাজারে খাদ্যপণ্য বিক্রির কেন্দ্রগুলোতে দরিদ্র মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে। কম দামে চাল ও আটা কেনার আশায় ভোররাত থেকেই দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। তবে চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ ও বিক্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা অত্যন্ত কম থাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেককে খালি হাতে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে।

খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালে ফেনী পৌর এলাকায় ওএমএস কর্মসূচি চালু হওয়ার সময় মাত্র ছয়টি কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছিল। দীর্ঘ ১৬ বছর পেরিয়ে গেলেও পৌরসভার ১৮টি ওয়ার্ডের জন্য এই কেন্দ্রের সংখ্যা আর বাড়ানো হয়নি। এর ফলে প্রতি সপ্তাহে মাত্র দুই থেকে তিন দিন এই কার্যক্রম চালানো সম্ভব হচ্ছে, যা ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার তুলনায় অত্যন্ত অপ্রতুল।

স্থানীয় ওএমএস ডিলারদের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি বরাদ্দে সীমিত পরিমাণে চাল ও আটা দেওয়া হয় যা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই সামান্য। পৌরসভার বিভিন্ন শিল্পকারখানায় কর্মরত হাজার হাজার শ্রমিক এবং আশপাশের এলাকা থেকে আসা শ্রমজীবীরাও এই স্বল্পমূল্যের পণ্যের ওপর নির্ভর করেন। কিন্তু পর্যাপ্ত বরাদ্দ না থাকায় তারা প্রায়ই বঞ্চিত হচ্ছেন।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের তথ্যমতে, ২০১০ সালের তুলনায় ফেনী পৌরসভার জনসংখ্যা প্রায় ৪২ শতাংশ বৃদ্ধি পেলেও ওএমএসের পরিধি বাড়েনি। অথচ পাশের জেলাগুলোতে বিক্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা অনেক বেশি। ফেনীতে প্রতিদিন ট্রাকের মাধ্যমে পণ্য বিক্রির কোনো ব্যবস্থা না থাকায় সংকট আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে।

এ বিষয়ে ফেনীর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক জানান, এক এলাকায় কার্যক্রম চালালে অন্য এলাকায় বন্ধ রাখতে হয়, যা দিয়ে পুরো শহরের চাহিদা মেটানো অসম্ভব। অন্যদিকে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম জানিয়েছেন, দ্রুত বিক্রয়কেন্দ্র ও বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি ট্রাক সেল চালুর জন্য বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।