October 28, 2026, 7:57 am
শিরোনাম :
গাজীপুর কর অঞ্চলে চাকরি, পদ ৩৪ মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ কম্বোডিয়া থেকে ৯ মাসে বহিষ্কার তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি, আলোচনায় সাইবার স্ক্যাম জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কারো অবৈধ সাম্রাজ্য টিকানোর দায়িত্ব পুলিশের নয়: হাসনাত আবদুল্লাহ বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রথম ই-পারিবারিক আপিল আদালত চালু হচ্ছে কাল সমুদ্রে মাছের অভয়াশ্রম তৈরি করা হচ্ছে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আইজিপির দায়িত্ব থেকে অতি দ্রুত সরে যাওয়া উচিত: নাহিদ ইসলাম ভারি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত অন্ধ্রপ্রদেশের জনজীবন, প্রায় ২ লাখ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ইউনিক্লোকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকিতে ১ কোটি ৮১ লাখ মানুষ

Reporter Name

জাতীয় ডেস্ক: বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি বা ডব্লিউএফপির সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দেশের খাদ্য পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর এই চার মাসের মধ্যে দেশের প্রায় এক কোটি ৮১ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। এই হিসাবটি দেশের সামগ্রিক জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশের জন্য খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে বড় ধরনের সংকটের ইঙ্গিত দেয়।

সংস্থাটির তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বিগত সময়ের তুলনায় এই ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের সংখ্যা এক লাফে প্রায় ২৮ লাখ বৃদ্ধি পেয়েছে। মূলত দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা এবং বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাবে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান নিম্নমুখী হয়েছে। এর ফলে প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর পক্ষে নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার জোগাড় করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বর্তমান পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে অপুষ্টির হার বৃদ্ধির পাশাপাশি দরিদ্র পরিবারগুলোর বেঁচে থাকার লড়াই আরও কঠিন হয়ে উঠবে। বিশেষ করে গ্রামীণ জনপদ এবং শহরাঞ্চলের ভাসমান ও দিনমজুর মানুষগুলো এই সংকটের শিকার হচ্ছে বেশি। সময়ের সাথে সাথে এই জনগোষ্ঠীর ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় তাদের খাদ্য নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।

এই ক্রমবর্ধমান সংকট মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি আরও জোরদার করা এবং হতদরিদ্র মানুষের মাঝে খাদ্য সহায়তা বাড়ানোর ওপর তারা বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সাথে সমন্বয় করে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ না করলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।