October 29, 2026, 4:01 am
শিরোনাম :
মাতারবাড়ী হয়ে ‘সেভেন সিস্টার্সে’র সঙ্গে সংযোগ জোরদার করতে চায় জাপান, যা বলল ভারত ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে, আবার সাগরে ছুটবে মাছ ধরার নৌকা গঙ্গা পানি চুক্তি নবায়নে ভারতের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ: এএফপির প্রতিবেদন প্রাথমিকে শিক্ষকতায় প্রকৌশলী-চিকিৎসক–এমফিল-পিএইচডিসহ ৩০ ধরনের ডিগ্রিধারীরা সরকারি দলের পক্ষে সমর্থনের অভিযোগ, ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সুলভ সরকারি এলপিজি কোথায় যায়, কারা পায় ব্যাংক খাত ঠিক হবে তো? ফ্রান্সসহ ইউরোপে বিক্ষোভের জন্য মুসলমানরা দায়ী! স্বাধীন বাংলাদেশের সংস্কৃতির সংকট মঞ্চে আসছে নবরসের নতুন নাটক ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’

কানাডায় অভিবাসন জালিয়াতির অভিযোগে পাঁচ বাংলাদেশির বিরুদ্ধে মামলা, একজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

Reporter Name

প্রবাস ডেস্ক: কানাডায় জালিয়াতির মাধ্যমে অভিনব উপায়ে ভিসা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগে পাঁচ বাংলাদেশির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক মামলা দায়ের করা হয়েছে। দেশটির সীমান্তরক্ষী সংস্থা কানাডা বর্ডার সার্ভিসেস এজেন্সি বা সিবিএসএ-এর পক্ষ থেকে সম্প্রতি এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানানো হয়। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিবাসন আইন ভঙ্গসহ গুরুতর কয়েকটি অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে, যা বর্তমানে দেশটির আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

তদন্তকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এর আগে মারসি শহরে একটি ভবনে অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু সন্দেহজনক নথিপত্র জব্দ করা হয়েছিল। এর সূত্র ধরে পরবর্তীতে কুইবেক ও অন্টারিও প্রদেশের কয়েকটি স্থানে অভিযান চালিয়ে কম্পিউটার সরঞ্জামসহ বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়। সংগৃহীত এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে ভিসা জালিয়াতির সঙ্গে এই পাঁচ বাংলাদেশির সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ পান তদন্তকারীরা।

অভিযুক্তদের মধ্যে চারজন আদালতে হাজিরা দিলেও অপর একজন বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। বিচার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে কুইবেকের আদালতে উপস্থিত হন রাশেল মির্জা, মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, মো. মুদাসসার আলম ভূঁইয়া ও কাজী নাফিজ আলম। অন্যদিকে, মো. রাকিবুল হাসান নামের পঞ্চম অভিযুক্ত ব্যক্তি বর্তমানে বাংলাদেশে থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে একটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, অভিযুক্ত চক্রটি প্রায় দুই শতাধিক বাংলাদেশির জন্য অস্থায়ী আবাসিক ভিসার আবেদন করেছিল। পর্যটক হিসেবে কানাডা ভ্রমণের কথা বলা হলেও মূলত ভুয়া তথ্য ও জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি নথিপত্র ব্যবহার করে এসব আবেদন জমা দেওয়া হয়েছিল। অভিবাসন আইন লঙ্ঘন করে লোকজনকে কানাডায় প্রবেশের সুযোগ করে দেওয়াসহ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করার মতো অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

কানাডার অভিবাসন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা রক্ষায় এমন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে দেশটির প্রশাসন। কানাডার জননিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রী গ্যারি আনন্দসাঙ্গারি জানিয়েছেন, অভিবাসন ব্যবস্থার সুনাম ক্ষুণ্নকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না এবং জালিয়াতির বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। সিবিএসএর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও জানিয়েছেন, অভিবাসন খাতের ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা অক্ষুণ্ন রাখতে এ ধরনের জালিয়াতি চক্রের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান চলমান থাকবে।