October 29, 2026, 4:02 am
শিরোনাম :
মাতারবাড়ী হয়ে ‘সেভেন সিস্টার্সে’র সঙ্গে সংযোগ জোরদার করতে চায় জাপান, যা বলল ভারত ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে, আবার সাগরে ছুটবে মাছ ধরার নৌকা গঙ্গা পানি চুক্তি নবায়নে ভারতের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ: এএফপির প্রতিবেদন প্রাথমিকে শিক্ষকতায় প্রকৌশলী-চিকিৎসক–এমফিল-পিএইচডিসহ ৩০ ধরনের ডিগ্রিধারীরা সরকারি দলের পক্ষে সমর্থনের অভিযোগ, ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সুলভ সরকারি এলপিজি কোথায় যায়, কারা পায় ব্যাংক খাত ঠিক হবে তো? ফ্রান্সসহ ইউরোপে বিক্ষোভের জন্য মুসলমানরা দায়ী! স্বাধীন বাংলাদেশের সংস্কৃতির সংকট মঞ্চে আসছে নবরসের নতুন নাটক ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’

কক্সবাজারে অপ্রাপ্তবয়স্কদের হোটেল ভাড়া দিলেই ব্যবস্থা, বললেন নারী সংসদ সদস্য

Reporter Name

জাতীয় ডেস্ক: দেশের অন্যতম প্রধান পর্যটন কেন্দ্র কক্সবাজারে পর্যটক হিসেবে আসা অপ্রাপ্তবয়স্কদের কোনো ধরনের বৈধ পরিচয়পত্র বা অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া হোটেল কক্ষ ভাড়া দেওয়ার প্রবণতা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। সম্প্রতি এক সংসদীয় আলোচনায় বিষয়টি জোরালোভাবে উত্থাপন করেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুন নেসা খান। তিনি জানান, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ঘুরতে আসা স্কুল-কলেজপড়ুয়া কিংবা অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোর-কিশোরীরা সহজেই হোটেল বা গেস্টহাউসে রুম পেয়ে যাচ্ছে, যা বর্তমান সমাজে একটি বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আইনি বয়স ও সঠিক পরিচয় নিশ্চিত না করে এই ধরনের রুম বুকিং দেওয়ার ফলে হোটেলগুলোর ভেতরে ও বাইরে নানা ধরনের অনৈতিক ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে চলেছে বলে মন্তব্য করেন সংশ্লিষ্টরা। অনেক সময় আইনগত বাধ্যবাধকতা এবং বয়স যাচাইয়ের নিয়মকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কিছু অসাধু হোটেল মালিক ও অবারিত বাণিজ্যের লোভে এই অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছেন। এর ফলে কেবল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিই ঘটছে না, বরং তরুণ প্রজন্মের নৈতিক অবক্ষয়ও ত্বরান্বিত হচ্ছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে।

এই পরিস্থিতি রোধে পর্যটন নগরীর হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টগুলোতে কঠোর নজরদারি বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। দায়িত্বশীলরা মনে করছেন, শুধু প্রশাসনিক অভিযান নয়, বরং হোটেল মালিক সমিতির পক্ষ থেকেও কঠোর নির্দেশনা থাকা জরুরি যাতে কোনো অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি একা বা অভিভাবকহীন অবস্থায় কক্ষ ভাড়া নিতে না পারে। একই সঙ্গে পর্যটন এলাকায় কর্মরত আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাকেও এ বিষয়ে আরও বেশি তৎপর হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে যাতে ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

হোটেল ব্যবসায়ীদের আরও বেশি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের তাগিদ দিয়ে বলা হয়েছে যে, ব্যবসার চেয়ে সামাজিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষা করা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। পর্যটন খাতে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত মনিটরিং এবং সুনির্দিষ্ট নীতিমালা বাস্তবায়নের দাবি উঠেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে, যা কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পকে আরও নিরাপদ ও পরিবারবান্ধব করে তুলতে সাহায্য করবে।