October 28, 2026, 3:16 am
শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও উপ-নির্বাচন: জামায়াত-বিএনপির পাল্টাপাল্টি অভিযোগ আচরণবিধি লঙ্ঘন ও পক্ষপাতিত্বের পত্রিকা: ‘নতুন পে-স্কেলে বেতন দিতে ব্যাংক ঋণ নেয়া বাড়িয়েছে সরকার’ অর্থনীতির বিপদ ক্ষমতাসীনরা টের পেতে শুরু করেছেন মধ্যবর্তী নির্বাচনে হেরে গেলেও কি ট্রাম্পের তাণ্ডব থামবে এখনই কেন দূরে তাকাচ্ছেন না নাজমুল হাতে ব্যালন ডি’অর, মাথায় ব্যবসার বুদ্ধি—যেভাবে দুই ভুবনের ‘রাজা’ কেইন হার্ভার্ডে সম্পূর্ণ অর্থায়নে ফেলোশিপের সুযোগ এআইয়ের সঙ্গে করা চ্যাট ডিলিট করলেও সব ডিলিট হয় না এআইয়ের পানি ব্যবহার নিয়ে স্যাম অল্টম্যানের দাবি কতটা সত্য জীববৈচিত্র্য: প্লাস্টিক বর্জ্যে সয়লাব সুন্দরবন

এনআইডি-পাসপোর্টের মতো অনলাইনে করতে হবে বিয়ের নিবন্ধন: আইনমন্ত্রী

Reporter Name

জাতীয় পরিচয়পত্র এবং পাসপোর্টের মতো খুব শীঘ্রই দেশের সব বিবাহ ও তালাক কার্যক্রম অনলাইনে নিবন্ধনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সম্প্রতি রাজধানীর ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে আয়োজিত এক বিশেষ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, বৈবাহিক তথ্য একটি সমন্বিত ডেটাবেইসের আওতায় আনা হলে রাষ্ট্রীয় ও ব্যক্তিগত পর্যায়ে বিভিন্ন অনিয়ম রোধ করা সহজ হবে। বর্তমান যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ডিজিটাল পদ্ধতিতে এই সেবা চালু করা হলে নাগরিক জীবন আরও বেশি সুরক্ষিত ও শৃঙ্খলিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আইনমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, এই অনলাইন ব্যবস্থা কার্যকর হলে দেশ বা বিদেশ থেকে যে কোনো নাগরিকের বৈবাহিক তথ্য অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে যাচাই করা সম্ভব হবে। এর ফলে তথ্য গোপন করে বিবাহ করার প্রবণতা এবং পরবর্তী সময়ে তা অস্বীকার করার সুযোগ অনেকাংশে কমে যাবে। বিশেষ করে নারী ও পুরুষ উভয়েই তাঁদের সম্ভাব্য জীবনসঙ্গীর আগের কোনো বৈবাহিক তথ্য রয়েছে কি না তা জেনে সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। এছাড়া বহুবিবাহের প্রবণতা রোধ এবং বিবাহসংক্রান্ত আইন যথাযথভাবে কার্যকর হচ্ছে কি না, তা পর্যবেক্ষণ করাও সরকারের জন্য সহজ হবে।

নতুন এই ডিজিটাল ব্যবস্থার ফলে ভবিষ্যতে উত্তরাধিকার সম্পত্তি কিংবা অন্যান্য আইনি দাবি নিয়ে তৈরি হওয়া জটিলতা ও বিরোধ উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রী বা সন্তান পরিচয় দিয়ে কেউ মিথ্যা দাবি করলে তা খুব সহজেই প্রকৃত তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে যাচাই করা যাবে। এমনকি বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে বৈবাহিক সম্পর্ক প্রমাণের প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অনলাইন থেকেই তা যাচাই করতে পারবে। এর ফলে বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরে বেড়ানোর ঝক্কি পোহাতে হবে না এবং সাধারণ মানুষের সময় ও শ্রম উভয়ই সাশ্রয় হবে।

পর্যায়ক্রমে এই বিবাহ নিবন্ধনের ডেটাবেইসটি জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধন এবং পাসপোর্টের মতো অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি তথ্যভান্ডারের সঙ্গে যুক্ত করা হবে বলে জানান আইনমন্ত্রী। সরকারি সেবাগুলোর মধ্যে এই আন্তঃসংযোগ প্রতিষ্ঠিত হলে নাগরিকদের পরিচিতি ও আনুষঙ্গিক তথ্য যাচাই প্রক্রিয়া আরও দ্রুত ও ত্রুটিহীন হবে। ‘সিভিল রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস’ প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বিভিন্ন জেলার নিকাহ রেজিস্ট্রাররা অংশ নিচ্ছেন। প্রশিক্ষিত এসব নিবন্ধকরা পরবর্তীতে নিজ নিজ এলাকায় অন্যদেরও এই সফটওয়্যার ব্যবহারে দক্ষ করে তুলবেন বলে আশা প্রকাশ করা হয়।