October 27, 2026, 11:58 pm
শিরোনাম :
ঢাকা-রিয়াদ ফ্লাইট নিয়ে সুখবর দিল সৌদিয়া এয়ারলাইন্স ঘরে বসে কোরআনের অর্থ শিখবেন যেভাবে ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তনে গলাকাটা ফি নির্ধারণ করে শিক্ষার্থীদের জিম্মি করা চলবে না: মুসাদ্দিক ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র: দুই দেশের নির্বাচনের পরিণতি হবে বিশ্বব্যাপী হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতেই হবে: সর্বোচ্চ নেতা জীবনানন্দের স্মরণে ভার্চ্যুয়াল পাঠচক্র ইসরায়েলের নির্বাচনে হারছে নেতানিয়াহুর জোট ইসরায়েলে ভোটের ফলাফলে সম্ভাব্য ৪ পরিস্থিতি কী ভাওয়াইয়া থেকে ইসলামি গান, আব্বাসউদ্দীন আজও অম্লান ওলামা অ্যালায়েন্সের ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব ইনজিমামুল, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদ

ইউরিন ব্যাগ লাগানো অবস্থায় কি অজু করা যায়

Reporter Name

অসুস্থতা বা শারীরিক জটিলতার কারণে যাদের শরীরে ইউরিন ব্যাগ বা প্রস্রাবের থলি যুক্ত রাখতে হয়, তাদের অনেকেই দৈনন্দিন ইবাদত-বন্দেগী পালন নিয়ে বিশেষ দুশ্চিন্তায় ভোগেন। পবিত্রতা অর্জন বা অজু করার ক্ষেত্রে এই বিশেষ চিকিৎসা সরঞ্জাম কোনো বাধা সৃষ্টি করে কি না এবং তা নিয়ে শরিয়তের বিধান কী, তা জানা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে যারা এই পরিস্থিতিতে পড়েন, তারা প্রায়শই সঠিক দিকনির্দেশনা না পেয়ে বিভ্রান্তির শিকার হন।

ইসলামী শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তির যদি এমন স্থায়ী বা দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক সমস্যা থাকে যার ফলে তার শরীর থেকে অবিরাম প্রস্রাব ঝরতে থাকে, তবে তাকে ‘ওজুরে শারয়ী’ বা শরীয়তসম্মত ওজর হিসেবে গণ্য করা হয়। এই ধরনের বিশেষ পরিস্থিতিতে আক্রান্ত ব্যক্তি ওজুর সাধারণ নিয়ম থেকে কিছুটা ভিন্ন নিয়মে পবিত্রতা অর্জন করবেন। তার শারীরিক এই বিশেষ অবস্থার কারণে তাকে শরীয়ত বিশেষ ছাড় বা নমনীয়তা প্রদান করেছে।

ইউরিন ব্যাগে আগে থেকেই প্রস্রাব জমে থাকা সত্ত্বেও তা একজন ওজরগ্রস্ত ব্যক্তির অজু ভঙ্গের কারণ হিসেবে গণ্য হয় না। চিকিৎসাগত কারণে শরীরে ব্যাগ যুক্ত থাকা অবস্থায় পবিত্রতা অর্জনের ক্ষেত্রে মূল ওজুর ওপর কোনো প্রভাব পড়ে না। তবে ওজু সম্পূর্ণ হওয়ার পর যদি নতুন করে ব্যাগে প্রস্রাব জমা হয়, তবুও ওজু নষ্ট হবে না বলে ইসলামি বিশেষজ্ঞরা অভিমত প্রকাশ করেছেন।

তবে ফিকহশাস্ত্রের নিয়ম অনুযায়ী ওজরগ্রস্ত ব্যক্তিদের জন্য প্রতিটি ওয়াক্তের নামাজের জন্য নতুন করে অজু করে নিতে হয়। নির্দিষ্ট ওয়াক্তের সময় শেষ হয়ে গেলে পরবর্তী ওয়াক্তের জন্য আবার নতুনভাবে পবিত্রতা অর্জন করতে হবে। এই নিয়মের মাধ্যমে যেকোনো অসুস্থ বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষ খুব সহজেই স্বাচ্ছন্দ্যে তাদের ধর্মীয় দায়িত্ব ও ইবাদত সম্পন্ন করতে পারবেন।