October 28, 2026, 11:57 pm
শিরোনাম :
আরব দলগুলোর রেকর্ড সাফল্যের পর ‘ভোট চুরির’ অভিযোগ নেতানিয়াহুর দলের জ্বালানির দামের কারণে যাত্রী নিয়ে মাঝ সাগরে আটকা বিলাসবহুল জাহাজ স্বর্ণসহ পাঁচ পদক জিতল বাংলাদেশ স্ট্রোক ও স্নায়ুরোগীদের পুনর্বাসনে সমন্বিত সেবার তাগিদ মা-বাবাকে নামাজের দাওয়াত যেভাবে দেবেন গাংনীতে ভোক্তা-অধিকারের অভিযানে ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা সিঙ্গাপুরকে হারিয়ে গ্রুপের কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশ স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে কারাগারে ফিরলেন আনিসুল হক, পলক ও মামুন মাও সে তুংকে নিয়ে রসিকতা, এমবাপ্পের জন্য চীনের কাছে ক্ষমা চাইল রিয়াল সাব-এজেন্টদের জবাবদিহি ও রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর গ্রেডিং প্রয়োজন

ইংল্যান্ড নারী কাবাডি দলের অধিনায়ক হলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আনিসা খান

Reporter Name

খেলা ডেস্ক: যুক্তরাজ্যের ক্রীড়া অঙ্গনে এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হতে যাচ্ছে। দেশটির নারী কাবাডি দলের অধিনায়ক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মৌলভীবাজারের এক কৃতী সন্তান। ব্রিটিশ-বাংলাদেশি এই তরুণীর নাম আনিসা খান, যিনি এর আগে ব্যবসা এবং টেলিভিশন জগতেও নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। খেলাধুলার আন্তর্জাতিক মঞ্চে একজন বাংলাদেশির এমন অর্জন প্রবাসীদের মুখ উজ্জ্বল করেছে।

মৌলভীবাজার জেলার শিকড় থাকা আনিসা যুক্তরাজ্যে বেড়ে উঠেছেন। বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী এই তরুণী পড়াশোনা ও ব্যবসার পাশাপাশি গণমাধ্যমেও বেশ পরিচিত মুখ। তবে এবার সমস্ত পরিচর্যা ছাপিয়ে তিনি নিজেকে প্রমাণ করতে চলেছেন কাবাডির মতো একটি কঠিন ও রোমাঞ্চকর খেলায়। ইংল্যান্ডের জাতীয় দলের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পাওয়া তার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

কাবাডি খেলায় ব্রিটিশ নারীদের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করতে আনিসার এই নেতৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তার এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের কঠোর পরিশ্রম, একাগ্রতা এবং খেলাধুলার প্রতি অগাধ ভালোবাসা। দলের অন্যান্য খেলোয়াড়রাও তার নেতৃত্ব নিয়ে অত্যন্ত আশাবাদী এবং আসন্ন প্রতিযোগিতায় ভালো ফলাফলের ব্যাপারে তারা প্রত্যয়ী।

যুক্তরাজ্যের মূলধারার সমাজে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তরুণ-তরুণীদের এমন নেতৃত্বমূলক অবস্থানে উঠে আসা অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে। আনিসার এই সাফল্য আগামী দিনে দেশের সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে যুবসমাজকে নতুন স্বপ্ন দেখাতে সাহায্য করবে। খেলাধুলায় তার এই যাত্রা কেবল ব্যক্তিগত অর্জনই নয়, বরং সমগ্র ব্রিটিশ-বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের জন্য একটি বিরাট গৌরবের বিষয়।