October 29, 2026, 5:54 am
শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে চলছে ভোট গ্রহণ: কর্মকর্তাদের কার্ডে ছবি না থাকায় উদ্বিগ্ন দেলাওয়ার বেহেশতের টিকিট বিক্রি করে বিরোধী দলের আসনে বসেছে জামায়াত: এস এম জিলানী জয়ের আশা বিএনপির প্রার্থীর, প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কার্ডে ছবি না থাকার অভিযোগ জামায়াতের জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী নে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী ভোট দিয়ে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল বললেন, ‘শতভাগ জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী’ প্রাণ-আরএফএল প্রেজেন্টস প্রিজম এআই ক্রিয়েটিভ অ্যাওয়ার্ডসের চূড়ান্ত বিচারকার্যে দেশের বিশিষ্টজনেরা পকেটে হারমোনিকা, কোথায় পাব, দাম কত যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরলেন হুইপ জি কে গউছ মাতারবাড়ী হয়ে ‘সেভেন সিস্টার্সে’র সঙ্গে সংযোগ জোরদার করতে চায় জাপান, যা বলল ভারত ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে, আবার সাগরে ছুটবে মাছ ধরার নৌকা

পূর্ববিরোধে আগাছানাশক ছিটিয়ে ৭ কৃষকের ধান নষ্টের অভিযোগ

Reporter Name

জাতীয় ডেস্ক: নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার রূপনারায়ণপুর এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জেরে সাতজন কৃষকের প্রায় ১০ বিঘা জমির আমন ধান নষ্ট করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী কৃষকদের দাবি, রাতের আঁধারে জমিতে ক্ষতিকর আগাছানাশক বা কীটনাশক প্রয়োগ করার কারণে তাঁদের পুরো জমির সোনালী ধানক্ষেত পুড়ে নষ্ট হয়ে গেছে। এই আকস্মিক ও ধ্বংসাত্মক ঘটনায় কৃষকদের প্রায় পাঁচ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি সাধিত হয়েছে, যা তাঁদের জীবিকার ওপর বড় ধরনের এক আঘাত।

এ ঘটনায় সম্প্রতি ভুক্তভোগী কৃষক চানমদ্দিন বাদী হয়ে ধামইরহাট থানায় ওবায়দুল ইসলাম ও এন্দাদুল ইসলাম ওরফে বিপ্লবসহ মোট সাতজনকে অভিযুক্ত করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রূপনারায়ণপুর মৌজার নির্দিষ্ট খতিয়ান ও দাগের ৩ দশমিক ১৭ একর জমি ওই কৃষকরা ক্রয়সূত্রে দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছিলেন এবং প্রতিবারের মতো এবারও সেখানে আমন ধানের আবাদ করেছিলেন। কিন্তু পূর্বের জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরেই প্রতিপক্ষের লোকজন এই জঘন্য কাণ্ড ঘটিয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী কৃষকরা আরও অভিযোগ করেন যে, এটি কেবল প্রথমবার নয়, এর আগেও একই জমিতে উৎপাদিত আলু ও সরিষা ফসল একইভাবে নষ্ট করা হয়েছিল। সে সময় বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় গ্রাম আদালতে বিচার হলে অভিযুক্তরা দোষী সাব্যস্ত হন এবং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান তাঁদের জরিমানা করেন। আদালতের রায় ও স্থানীয় সালিশকে তোয়াক্কা না করে অভিযুক্তরা আবারও এই ধ্বংসাত্মক কাজ করায় কৃষকরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছেন অভিযুক্তদের একজন এন্দাদুল ইসলাম বিপ্লব। তাঁর দাবি, ভুক্তভোগী কৃষকরা জবরদস্তি করে তাঁদের জমি দখল করে সেখানে ধান চাষ করেছেন এবং নিজেরাই ইচ্ছাকৃতভাবে ধানগাছে কীটনাশক স্প্রে করে এখন তাদের অহেতুক হয়রানি করার চেষ্টা করছেন। অন্যদিকে, ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিন্টু রহমান জানিয়েছেন যে, ক্ষেতের ধান নষ্ট করার এই অভিযোগটি পুলিশ গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।