October 28, 2026, 6:34 am
শিরোনাম :
বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রথম ই-পারিবারিক আপিল আদালত চালু হচ্ছে কাল সমুদ্রে মাছের অভয়াশ্রম তৈরি করা হচ্ছে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আইজিপির দায়িত্ব থেকে অতি দ্রুত সরে যাওয়া উচিত: নাহিদ ইসলাম ভারি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত অন্ধ্রপ্রদেশের জনজীবন, প্রায় ২ লাখ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ইউনিক্লোকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান দর্শকের চেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যই যেন বেশি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গভর্নরের বৈঠক, ঢাকায় কার্যালয় খোলার আলোচনা বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপ-নির্বাচন: জামায়াত-বিএনপির পাল্টাপাল্টি অভিযোগ আচরণবিধি লঙ্ঘন ও পক্ষপাতিত্বের

জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে পোশাকশ্রমিকদের মজুরি পুনর্নির্ধারণের দাবি

Reporter Name

অর্থনীতি ডেস্ক: বর্তমান বাজারদর ও জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি দ্রুত পুনর্নির্ধারণ করার জোরালো দাবি উঠেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে সাধারণ শ্রমিকদের জীবনযাত্রা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে, যা তাদের কাজের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট মহলের পক্ষ থেকে নতুন করে মজুরি কাঠামো পর্যালোচনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে।

দেশের অর্থনীতিবিদ, শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং পোশাকশিল্পের মালিকপক্ষের একাধিক দায়িত্বশীল ব্যক্তি সম্প্রতি এই দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন। তাদের মতে, শ্রমিকদের বাঁচিয়ে রাখতে এবং উৎপাদনশীলতা টিকিয়ে রাখতে তাদের পারিশ্রমিকের বিষয়টি অত্যন্ত মানবিক ও বাস্তবসম্মতভাবে বিবেচনা করা উচিত। বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় মজুরি পুনর্নির্ধারণ করা না গেলে তা সামগ্রিক শিল্প খাতের স্থিতিশীলতার জন্য হুমকিস্বরূপ হতে পারে।

শ্রমিকনেতাদের অভিযোগ, বর্তমান মজুরিতে পরিবার নিয়ে বেঁচে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বাড়িভাড়া থেকে শুরু করে খাদ্যপণ্যের দাম যেভাবে বেড়েছে, তাতে মাস শেষ হতেই শ্রমিকরা ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন। তাই মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একটি সম্মানজনক ও বাস্তবসম্মত মজুরি কাঠামো দ্রুত ঘোষণা করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

অন্যদিকে, মালিকপক্ষের প্রতিনিধিরাও বর্তমান পরিস্থিতির বাস্তবতা উপলব্ধি করছেন এবং একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তারা মনে করেন, শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা না পেলে দীর্ঘমেয়াদে পোশাকশিল্পের ক্ষতি হবে। তবে এই মজুরি বাড়ানোর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার চ্যালেঞ্জের কথাও তারা উল্লেখ করেছেন এবং উভয় পক্ষের স্বার্থ রক্ষার ওপর জোর দিয়েছেন।