October 28, 2026, 6:10 am
শিরোনাম :
সমুদ্রে মাছের অভয়াশ্রম তৈরি করা হচ্ছে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আইজিপির দায়িত্ব থেকে অতি দ্রুত সরে যাওয়া উচিত: নাহিদ ইসলাম ভারি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত অন্ধ্রপ্রদেশের জনজীবন, প্রায় ২ লাখ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ইউনিক্লোকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান দর্শকের চেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যই যেন বেশি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গভর্নরের বৈঠক, ঢাকায় কার্যালয় খোলার আলোচনা বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপ-নির্বাচন: জামায়াত-বিএনপির পাল্টাপাল্টি অভিযোগ আচরণবিধি লঙ্ঘন ও পক্ষপাতিত্বের পত্রিকা: ‘নতুন পে-স্কেলে বেতন দিতে ব্যাংক ঋণ নেয়া বাড়িয়েছে সরকার’ অর্থনীতির বিপদ ক্ষমতাসীনরা টের পেতে শুরু করেছেন

সরকার নির্ধারিত দামে এলপিজি পাওয়া যাচ্ছে না কেন, কী বলছেন ব্যবসায়ীরা

Reporter Name

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের বাজারে লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির দাম নিয়ে সাধারণ ক্রেতাদের দীর্ঘদিনের অসন্তোষ কাটছে না। জ্বালানি খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা নিয়মিতভাবে সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করে দিলেও মাঠপর্যায়ে তা কার্যকর হচ্ছে না। অভিযোগ রয়েছে, নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে, যার ফলে সাধারণ ভোক্তারা আর্থিক সংকটে পড়ছেন।

খুচরা বিক্রেতা ও ডিলারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা কোম্পানির নির্ধারিত বা সরকারি মূল্যে সিলিন্ডার সংগ্রহ করতে পারছেন না। পাইকারি পর্যায় থেকেই অতিরিক্ত দামে গ্যাস কিনতে বাধ্য হওয়ায় তারা কম দামে বিক্রি করতে পারেন না। ডিলারদের দাবি, পরিবহন খরচ, ডিস্ট্রিবিউশন চার্জ এবং বিভিন্ন স্তরের বাড়তি ব্যয়ের কারণে প্রকৃত কেনা দামই সরকারের বেঁধে দেওয়া খুচরা মূল্যকে ছাড়িয়ে যায়।

ব্যবসায়ী সমিতির প্রতিনিধিরা জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি এবং ডলারের বিনিময় হারের ঊর্ধ্বগতির অজুহাত দেখিয়ে পরিবেশকরা বেশি দাম নিচ্ছেন। এছাড়া সরবরাহের ক্ষেত্রে কিছু সিন্ডিকেট কাজ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে, যারা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম চড়া রাখতে সহায়তা করে। সরকারের পক্ষ থেকে নজরদারি বাড়ানো হলেও অসাধু চক্রের কারণে সুফল মিলছে না।

এই পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধানের জন্য কঠোর মনিটরিং এবং সাপ্লাই চেইন বা সরবরাহ ব্যবস্থা স্বচ্ছ করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। অন্যথায় সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাবে রান্নার এই অতি জরুরি জ্বালানি। ভোক্তা অধিকার সংগঠনগুলোও দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণে আনার তাগিদ দিয়েছে।