October 28, 2026, 2:26 am
শিরোনাম :
এখনই কেন দূরে তাকাচ্ছেন না নাজমুল হাতে ব্যালন ডি’অর, মাথায় ব্যবসার বুদ্ধি—যেভাবে দুই ভুবনের ‘রাজা’ কেইন হার্ভার্ডে সম্পূর্ণ অর্থায়নে ফেলোশিপের সুযোগ এআইয়ের সঙ্গে করা চ্যাট ডিলিট করলেও সব ডিলিট হয় না এআইয়ের পানি ব্যবহার নিয়ে স্যাম অল্টম্যানের দাবি কতটা সত্য জীববৈচিত্র্য: প্লাস্টিক বর্জ্যে সয়লাব সুন্দরবন পোশাক রপ্তানি বেড়েছে, পিছিয়ে উচ্চমূল্যের পণ্য বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া আলোচনা: মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির পথে দুই দেশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছে না নেতানিয়াহু বা বিরোধী জোট, রেকর্ড সংখ্যক আসন পাচ্ছে আরব দলগুলো প্রার্থী বাছাইয়ে এমপিদের নিয়ে চিন্তায় বিএনপি

সাত পুলিশ সদস্যের নামে মামলা, বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ

Reporter Name

আইন-আদালত ডেস্ক: লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে আটকের পর এক আসামিকে নির্যাতনের অভিযোগে সাত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রেজাউল হক এই আদেশ দেন। সিআইডির দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে বাদীর নারাজি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৭ ডিসেম্বর রায়পুর থানায় আটকের পর আবদুর রহিম রনি নামের এক ব্যক্তিকে বেধড়ক মারধর করা হয়। এই ঘটনার বিচার চেয়ে ভুক্তভোগীর স্ত্রী রিনা আক্তার বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন। অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে রায়পুর থানার উপপরিদর্শক মো. আবু হানিফ, নুরুল ইসলাম, সহকারী উপপরিদর্শক সফিক মিয়া, সাখাওয়াত হোসেন এবং কনস্টেবল আতিক উল্যা ও ইউসুফ ঢালি অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

এর আগে মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআই ও সিআইডিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। গত জুলাই মাসে সিআইডি আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। তবে ওই প্রতিবেদনের ওপর অনাস্থা জানিয়ে গত আগস্ট মাসে আদালতে নারাজি আবেদন করেন বাদী। বাদীর আইনজীবী আবদুল আহাদ শাকিল পাটোয়ারী জানান, তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামিদের প্রভাবের মুখে পড়ে সঠিকভাবে তদন্ত কাজ পরিচালনা করেননি।

বাদী পক্ষের অভিযোগ, রায়পুর থানা ও সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ জব্দ করে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়নি। এছাড়া মামলায় সাক্ষীদের প্রকৃত জবানবন্দি এড়িয়ে মনগড়া তথ্য যুক্ত করা হয়েছে। এই ধরনের গাফিলতি ও ত্রুটিপূর্ণ তদন্তের কারণে বাদী সিআইডির রিপোর্টের বিরুদ্ধে আদালতে নারাজি দেন, যা আদালত মঞ্জুর করে বিচার বিভাগীয় তদন্তের নতুন পথ উন্মুক্ত করলেন।