October 28, 2026, 7:25 am
শিরোনাম :
মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ কম্বোডিয়া থেকে ৯ মাসে বহিষ্কার তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি, আলোচনায় সাইবার স্ক্যাম জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কারো অবৈধ সাম্রাজ্য টিকানোর দায়িত্ব পুলিশের নয়: হাসনাত আবদুল্লাহ বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রথম ই-পারিবারিক আপিল আদালত চালু হচ্ছে কাল সমুদ্রে মাছের অভয়াশ্রম তৈরি করা হচ্ছে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আইজিপির দায়িত্ব থেকে অতি দ্রুত সরে যাওয়া উচিত: নাহিদ ইসলাম ভারি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত অন্ধ্রপ্রদেশের জনজীবন, প্রায় ২ লাখ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ইউনিক্লোকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান দর্শকের চেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যই যেন বেশি

শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে পাকিস্তানের শুরু

Reporter Name

খেলা ডেস্ক: বল ও ব্যাট উভয় বিভাগে দারুণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে জয় তুলে নিয়েছে স্বাগতিক পাকিস্তান দল। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এই ম্যাচে দুর্দান্ত এক জয়ের মাধ্যমে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল তারা। পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক হিসেবে সাহিবজাদা ফারহানের আনুষ্ঠানিক অভিষেক ম্যাচটি স্মরণীয় হয়ে রইল এই জয়ের সুবাদে। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলে দর্শনীয় জয় ছিনিয়ে নেয় স্বাগতিকরা।

এর আগে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় সফরকারী শ্রীলঙ্কা। নির্ধারিত ওভার শেষে তারা ১৮২ রানের বেশ চ্যালেঞ্জিং একটি সংগ্রহ দাঁড় করায়। লঙ্কান ইনিংসে একাই প্রতিরোধ গড়ে তোলেন ওপেনার লাহিরু উদারা, যিনি ৫৫ বলে ১১ চার ও ১ ছক্কায় ৯১ রানের অনবদ্য এক ইনিংস খেলেন। এছাড়া মিডল অর্ডারে কামিন্দু মেন্ডিস ২৩ এবং দাসুন শানাকা ১৮ রান করে দলের সংগ্রহকে দুইশ’র কাছাকাছি নিয়ে যেতে বড় ভূমিকা পালন করেন। পাকিস্তানের পক্ষে নিয়ন্ত্রিত বোলিং আক্রমণ চালিয়ে সফল ছিলেন নাসিম শাহ, যিনি একাই শিকার করেন গুরুত্বপূর্ণ ৩টি উইকেট।

জবাবে ১৮৩ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দারুণ আত্মবিশ্বাসী শুরু করে পাকিস্তান। অধিনায়ক সাহিবজাদা ফারহান ওপেনিংয়ে নেমে শুরু থেকেই লঙ্কান বোলারদের ওপর চড়াও হন এবং মাত্র ৫৩ বলে ১০টি চার ও ৪টি ছক্কার সাহায্যে ৮৯ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলে দলের জয় প্রায় নিশ্চিত করেন। ফখর জামানের সঙ্গে প্রাথমিক জুটির পর মাজ সাদাকাতের সঙ্গে তার ৫২ বলে ৯২ রানের দুর্দান্ত জুটি পাকিস্তানের জয়ের পথ পুরোপুরি মসৃণ করে দেয়। বিশেষ করে মাজ সাদাকাতও দারুণ একটি ফিফটি (৫০ রান) তুলে নিয়ে দলের জয়ে বড় অবদান রাখেন।

যদিও ইনিংসের শেষ দিকে দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে গিয়েছিল স্বাগতিক দল, তবুও শেষ পর্যন্ত কোনো বড় বিপদে পড়তে হয়নি তাদের। নির্ধারিত ওভার শেষ হওয়ার আগেই অর্থাৎ ৭ বল হাতে রেখেই ৬ উইকেটের বিনিময়ে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে যায় পাকিস্তান। ব্যাটে-বলে সামগ্রিক আধিপত্য বিস্তার করে জয় তুলে নেওয়ার মাধ্যমে দারুণ এক নতুন অধ্যায় শুরু করল পাকিস্তান ক্রিকেট দল।