October 28, 2026, 8:50 am
শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনই ইসির সক্ষমতার পরীক্ষা: ১১ দলীয় ঐক্য ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন কাল, নিরাপত্তায় ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড বল প্রয়োগের শক্তিই হলো ‘বলের মাত্রা’ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ জানতে এবার উচ্চপর্যায়ের কমিটি গাজীপুর কর অঞ্চলে চাকরি, পদ ৩৪ মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ কম্বোডিয়া থেকে ৯ মাসে বহিষ্কার তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি, আলোচনায় সাইবার স্ক্যাম জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কারো অবৈধ সাম্রাজ্য টিকানোর দায়িত্ব পুলিশের নয়: হাসনাত আবদুল্লাহ বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রথম ই-পারিবারিক আপিল আদালত চালু হচ্ছে কাল

বিদেশি কর্মী নিয়োগে মাইক্রোসফট, ইনফোসিস, টাটাসহ আটটি কোম্পানির ওপর ওয়াশিংটনের নিষেধাজ্ঞা

Reporter Name

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে দেশের বাজারে বিদেশি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে বড় ধরনের কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। দেশটির শ্রম মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, নির্দিষ্ট কিছু নিয়মের ব্যত্যয় ঘটার কারণে কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি জায়ান্ট মাইক্রোসফট এবং ইনফোসিস ও টাটার মতো প্রভাবশালী কোম্পানিগুলোর ভিসা সংক্রান্ত কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

মার্কিন শ্রম দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তা কিথ সোন্ডারলিং সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, পার্মানেন্ট লেবার সার্টিফিকেশন প্রোগ্রামের আওতায় উল্লেখিত আটটি প্রতিষ্ঠানের নতুন করে কোনো আবেদন এখন আর গ্রহণ করা হবে না। একই সঙ্গে এই প্রোগ্রামটির অধীনে পূর্বে দাখিল করা চলমান ভিসা আবেদনগুলোর প্রক্রিয়াও আপাতত সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে প্রতিষ্ঠানগুলো আপাতত এই বিশেষ ব্যবস্থার সুুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকবে।

মূলত স্থানীয় শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা এবং অভিবাসী কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই ওয়াশিংটন এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মনে করছে, এই ধরনের নিষেধাজ্ঞার ফলে মার্কিন শ্রমবাজারের অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য বজায় রাখা সহজ হবে। তবে প্রযুক্তি খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর এমন নিষেধাজ্ঞার প্রভাব নিয়ে ইতোমধ্যে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, এই সিদ্ধান্তের ফলে উল্লেখিত কোম্পানিগুলোর ভবিষ্যৎ জনবল পরিকল্পনা এবং বৈশ্বিক প্রতিভা সংগ্রহের কৌশলে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। মার্কিন সরকারের এই কঠোর অবস্থান ভবিষ্যতে অন্যান্য বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও একটি সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয় এবং কোম্পানিগুলো এর বিপরীতে কী পদক্ষেপ নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।