October 28, 2026, 9:53 pm
শিরোনাম :
মাও সে তুংকে নিয়ে রসিকতা, এমবাপ্পের জন্য চীনের কাছে ক্ষমা চাইল রিয়াল সাব-এজেন্টদের জবাবদিহি ও রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর গ্রেডিং প্রয়োজন ইংলিসের ব্যাটে লিড পেল অস্ট্রেলিয়া বীমা কোম্পানির সিএফও হতে লাগবে ৭ যোগ্যতা পুলিশের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ নেতানিয়াহুকে সরাতে আরব দলগুলোর সঙ্গে ঐক্যের ডাক গোলানের গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানেরও ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই চার জুটির চার রকম প্রেম, তিন নতুন মুখের অভিষেক নভেম্বরে ইন্ডিয়া জোটের সমাবেশ, সমর্থন জানাল ককরোচ পার্টি ১২৬৯ ভবনের মালিককে রাজউকের চূড়ান্ত নোটিশ, নির্দেশনা না মানলে ব্যবস্থা

মাথায় স্কার্ফ পরে ছবি দেওয়ায় তুর্কি শিক্ষার্থীর ফ্রান্সের ভিসা প্রত্যাখ্যান

Reporter Name

তুরস্কের এক মেধাবী শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন হোঁচট খেয়েছে ফরাসি ভিসার জটিলতার কারণে। গালাতাসারায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই শিক্ষার্থী মর্যাদাপূর্ণ এরাসমাস কর্মসূচির আওতায় ফ্রান্সের বিখ্যাত সরবোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। একই সঙ্গে তিনি একটি বিশেষ শিক্ষাবৃত্তির জন্যও নির্বাচিত হয়েছিলেন, যা তাঁর অ্যাকাডেমিক ক্যারিয়ারে এক বড় অর্জন ছিল। কিন্তু ভিসার আবেদনপত্রে সংযুক্ত বায়োমেট্রিক ছবিতে তাঁর মাথায় স্কার্ফ পরা থাকায় ফরাসি কনস্যুলেট তাঁর আবেদন মঞ্জুর করেনি।

তুরস্কে অবস্থিত ফ্রান্সের অনুমোদিত ভিসা প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র ভিএফএস গ্লোবালের মাধ্যমে ওই শিক্ষার্থী মোট তিনবার ভিসার আবেদন করেছিলেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই শিক্ষার্থী সংবাদমাধ্যমকে জানান, তাঁর সহপাঠীরা একই ধরনের হেডস্কার্ফ পরিহিত ছবি ব্যবহার করেও সহজেই ফরাসি ভিসা পেয়েছেন। অথচ তাঁর ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ভিন্ন ও বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। প্রথমবার তাঁর আবেদনটি নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে বাতিল করা হয়েছিল, যদিও তাঁর কাছে পড়াশোনা ও থাকা খাওয়ার বৈধ সব কাগজপত্র ছিল।

দ্বিতীয় দফায় এক বন্ধুর সঙ্গে যৌথভাবে আবেদন করার পরও বন্ধুর ভিসা মিললেও তাঁর কপালে শিকে ছেঁেনি। পরবর্তীতে তৃতীয় দফায় তিনি আবেদন করে এই প্রত্যাখ্যানের সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে চান এবং লিখিত ব্যাখ্যা দাবি করেন। গত সেপ্টেম্বর মাসে ইস্তাম্বুলে অবস্থিত ফরাসি কনস্যুলেট জেনারেল থেকে তাঁর কাগজপত্র ফেরত দেওয়া হয় এবং জানানো হয় যে ভিসার ছবির নিয়ম অনুযায়ী মাথা পুরোপুরি অনাবৃত রাখতে হবে।

সরবোন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার এই সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় গভীর হতাশা প্রকাশ করেছেন ওই তুর্কি শিক্ষার্থী। ধর্মীয় বিশ্বাসের অংশ হিসেবে হেডস্কার্ফ খুলে ছবি তোলা তাঁর পক্ষে কোনোভাবেই সম্ভব নয় বলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন। ভবিষ্যতে যেন আর কোনো শিক্ষার্থীকে এমন হয়রানির শিকার হতে না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ভিসা কেন্দ্রগুলোকে আরও স্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।