October 29, 2026, 9:05 am
শিরোনাম :
অভিযোগ আছে—অনেক বিচারক দুই-তিন ঘণ্টা আদালত করেন: আইনমন্ত্রী ২০২৭ সালের নভেম্বরে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু হবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী উপনির্বাচনকে ছোট করে দেখছি না, জাতীয় নির্বাচনের মতো গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে অনেক বিচারক বেলা ১১টায় আসেন, দেড়টা-দুইটায় চলে যান —এটা চলবে না: আইনমন্ত্রী ‘জনগণের পুলিশ’ গড়ার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জালিয়াতি করে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি, দুদকের মামলায় তিন উপসচিব ওএসডি এল-সাইদের বিরুদ্ধে মুসলিম ব্রাদারহুডকে সমর্থনের কোনো প্রমাণ নেই ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম বেতনের দাবিতে সড়কে পোশাকশ্রমিকেরা ইলিশ ধরতে জেলেদের প্রস্তুতি, নিষেধাজ্ঞা উঠছে আজ

আওয়ামী লীগের কারাবন্দী নেতার জন্য প্রত্যয়নপত্র দেওয়া বিএনপির সেই দুই নেতার পদ স্থগিত

Reporter Name

দলীয় নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বিএনপির দুই স্থানীয় নেতার দলীয় পদ স্থগিত করা হয়েছে। সম্প্রতি কারাবন্দী এক আওয়ামী লীগ নেতার মুক্তির জন্য সুপারিশমূলক প্রত্যয়নপত্র দেওয়ার ঘটনায় এই কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। দলটির নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে জানানো হয়েছে যে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।

অভিযুক্ত দুই নেতা নিজেদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে এবং দলীয় শৃঙ্খলাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ওই নেতার পক্ষে সাফাই গেয়েছিলেন বলে জানা গেছে। বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশনা অনুযায়ী, এই ধরনের অনৈতিক ও নীতিবহির্ভূত তৎপরতা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে এমন যেকোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখা হবে বলে দলীয় সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।

সংগঠন বিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার দায়ে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কমিটি থেকে তাদের সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে কিনা, তা নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব মনে করে, দলের ভেতরে লুকিয়ে থাকা এ ধরনের সুযোগসন্ধানীরা সংগঠনের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যের জন্য বড় অন্তরায়।

সার্বিক এই ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং সাধারণ নেতাকর্মীদের মাঝেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ে দলের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এ ধরনের পদক্ষেপ অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে মনে করছেন অনেকে। ভবিষ্যতে অন্য কোনো নেতা যেন এ ধরনের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়াতে না পারেন, সে বিষয়েও কঠোর বার্তা দেওয়া হয়েছে দলের পক্ষ থেকে।