October 27, 2026, 10:03 pm
শিরোনাম :
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র: দুই দেশের নির্বাচনের পরিণতি হবে বিশ্বব্যাপী হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতেই হবে: সর্বোচ্চ নেতা জীবনানন্দের স্মরণে ভার্চ্যুয়াল পাঠচক্র ইসরায়েলের নির্বাচনে হারছে নেতানিয়াহুর জোট ইসরায়েলে ভোটের ফলাফলে সম্ভাব্য ৪ পরিস্থিতি কী ভাওয়াইয়া থেকে ইসলামি গান, আব্বাসউদ্দীন আজও অম্লান ওলামা অ্যালায়েন্সের ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব ইনজিমামুল, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদ ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্য সরকারের: বিদ্যুৎমন্ত্রী ঢাকা টেস্ট যেন নিজেদের প্রমাণের পরীক্ষা স্টার্কের ৬ বলে ৪ উইকেট, কেপটাউনে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন অস্ট্রেলিয়ার

ব্রাজিলের নির্বাচন: জইর বলসোনারোর ছেলে ফ্লাভিও কি লুলাকে হারাতে পারবেন

Reporter Name

ব্রাজিলের আসন্ন রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও ক্ষমতার সমীকরণ নিয়ে দেশটির রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং মেরুকরণের মধ্যেই সম্ভাব্য নির্বাচনী লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন দেশটির প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের মনোযোগ মূলত কয়েকজন হেভিওয়েট প্রার্থীর দিকেই কেন্দ্রীভূত হয়ে আছে।

সামনের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন প্রার্থী মাঠে সক্রিয় রয়েছেন এবং নিজেদের অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা করছেন। এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন দল ও জোট থেকে মোট বারো জন প্রার্থী অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। তবে মাঠপর্যায়ের নানা তথ্য ও জনমত জরিপের প্রাথমিক চিত্রে এটি স্পষ্ট যে, বেশিরভাগ প্রার্থীই ভোটারদের মাঝে উল্লেখযোগ্য কোনো প্রভাব ফেলতে ব্যর্থ হয়েছেন।

সাম্প্রতিক বিভিন্ন জনমত জরিপের ফলাফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, বর্তমান রাজনৈতিক অঙ্গনে মূলত দুজন নেতার মাঝেই মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে। জনমত জরিপের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির বর্তমান রাজনৈতিক দৃশ্যপটে সাবেক প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা এবং জইর বলসোনারোর পুত্র ফ্লাভিও বলসোনারো ছাড়া অন্য কোনো প্রার্থী এখনও পর্যন্ত ভোটারদের উল্লেখযোগ্য সমর্থন অর্জন করতে পারেননি।

বিশ্লেষকদের মতে, এই দুজন নেতার বাইরে অন্য কোনো প্রার্থী এ পর্যন্ত ১০ শতাংশের বেশি জনসমর্থন পেতে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে আগামী দিনের রাজনৈতিক লড়াই মূলত এই দুই হেভিওয়েট শিবিরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সাধারণ ভোটারদের একটি বড় অংশ শেষ পর্যন্ত কার পক্ষে রায় দেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।