October 28, 2026, 7:24 am
শিরোনাম :
মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ কম্বোডিয়া থেকে ৯ মাসে বহিষ্কার তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি, আলোচনায় সাইবার স্ক্যাম জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কারো অবৈধ সাম্রাজ্য টিকানোর দায়িত্ব পুলিশের নয়: হাসনাত আবদুল্লাহ বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রথম ই-পারিবারিক আপিল আদালত চালু হচ্ছে কাল সমুদ্রে মাছের অভয়াশ্রম তৈরি করা হচ্ছে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আইজিপির দায়িত্ব থেকে অতি দ্রুত সরে যাওয়া উচিত: নাহিদ ইসলাম ভারি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত অন্ধ্রপ্রদেশের জনজীবন, প্রায় ২ লাখ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ইউনিক্লোকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান দর্শকের চেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যই যেন বেশি

জনসংখ্যা সংকট ঠেকাতে সিঙ্গাপুরে সরকারি ডেটিং অ্যাপ চালু

Reporter Name

প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে জন্মহার হ্রাসের ফলে বড় ধরনের জনসংখ্যার সংকটে পড়েছে সিঙ্গাপুর। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে এবং তরুণ প্রজন্মকে বিবাহবন্ধনে উদ্বুদ্ধ করতে দেশটির সরকার একটি বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে সম্প্রতি সরকারি কর্মীদের জন্য ‘ফার্স্টডেট’ নামের একটি নতুন মোবাইলভিত্তিক ডেটিং অ্যাপ্লিকেশন চালু করা হয়েছে। সিঙ্গাপুর সরকারের প্রত্যাশা, এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তরুণ চাকরিজীবীরা নিজেদের জন্য উপযুক্ত জীবনসঙ্গী খুঁজে নিতে আরও সহজ সুযোগ পাবেন।

সিঙ্গাপুরের জন্মহার দীর্ঘকাল ধরেই বিশ্বের অন্যতম সর্বনিম্ন হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। দেশটির সমাজ ও অর্থনীতিতে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ওপর চাপ মারাত্মকভাবে বেড়ে চলেছে। সরকারের নীতিনির্ধারকরা বারবার এই নিম্নমুখী জন্মহার নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রণোদনা ও সামাজিক কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে, যার সর্বশেষ সংযোজন হলো এই সরকারি ডেটিং অ্যাপ।

আধুনিক কর্মব্যস্ত জীবনযাত্রার কারণে সিঙ্গাপুরের অনেক তরুণ-তরুণী ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য যথেষ্ট সময় পান না। দীর্ঘ কর্মঘণ্টা এবং সামাজিক মেলামেশার সুযোগ কমে যাওয়ার ফলে দেশটিতে অবিবাহিত থাকার প্রবণতাও বাড়ছে। সরকারিভাবে তৈরি এই ডেটিং প্ল্যাটফর্মটি কর্মীদের সেই ব্যস্ততার মাঝেও পার্টনার খোঁজার প্রক্রিয়াকে সহজতর করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে নিরাপদ ও বিশ্বস্ত পরিবেশে সহকর্মীরা একে অপরের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাবেন।

বিশ্লেষকদের মতে, শুধু একটি ডেটিং অ্যাপ চালিয়েই জন্মহার সংকটের স্থায়ী সমাধান করা সম্ভব নয়। এর জন্য জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, শিশুর লালন-পালনে আর্থিক সহায়তা এবং কর্মক্ষেত্রে উপযুক্ত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার মতো দীর্ঘমেয়াদী পদক্ষেপেরও প্রয়োজন রয়েছে। তবে সরকারের এই ডিজিটাল উদ্যোগটি তরুণ প্রজন্মের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়াতে একটি কার্যকর প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।