October 28, 2026, 7:39 am
শিরোনাম :
গাজীপুর কর অঞ্চলে চাকরি, পদ ৩৪ মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ কম্বোডিয়া থেকে ৯ মাসে বহিষ্কার তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি, আলোচনায় সাইবার স্ক্যাম জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কারো অবৈধ সাম্রাজ্য টিকানোর দায়িত্ব পুলিশের নয়: হাসনাত আবদুল্লাহ বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রথম ই-পারিবারিক আপিল আদালত চালু হচ্ছে কাল সমুদ্রে মাছের অভয়াশ্রম তৈরি করা হচ্ছে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আইজিপির দায়িত্ব থেকে অতি দ্রুত সরে যাওয়া উচিত: নাহিদ ইসলাম ভারি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত অন্ধ্রপ্রদেশের জনজীবন, প্রায় ২ লাখ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ইউনিক্লোকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

গাজীপুরে গার্মেন্টসে আগুন: সাড়ে ৩ ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণে, উদ্ধার ৬৯ জন

Reporter Name

গাজীপুর মহানগরের ডেগেরচালা ফকির মার্কেট এলাকায় অবস্থিত মেট্রিক্স গার্মেন্টসের একটি বহুতল কারখানার গুদামে হঠাৎ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ভবনটির সাততলা ভবনের তৃতীয় তলায় এই আগুন লাগার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলের দিকে রওনা দেন। ছুটির দিন বা কাজের সময়ের এই আকস্মিক দুর্ঘটনায় কারখানার ভেতরে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং তাৎক্ষণিকভাবে কেউ কেউ বাইরে বের হতে না পেরে ভেতরে আটকা পড়েন।

প্রাথমিকভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে গাজীপুর চৌরাস্তা মডার্ন ফায়ার স্টেশনের তিনটি ইউনিট কাজ শুরু করলেও আগুনের তীব্রতা দ্রুত বৃদ্ধি পেতে থাকে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তীতে কোনাবাড়ি, গাজীপুর ও রাজেন্দ্রপুর ফায়ার স্টেশনের আরও ছয়টি ইউনিট যোগ দেয় এবং মোট নয়টি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেয়। তীব্র ধোঁয়া ও আগুনের লেলিহান শিখার কারণে ভবনের ভেতর ও ছাদে অনেকেই আটকা পড়েছিলেন, যাদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের বিশেষ রেসকিউ ভেহিকেল ব্যবহার করা হয়।

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালক সালাউদ্দিন আহমেদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত দীর্ঘ সাড়ে তিন ঘণ্টার অভিযানে ভবনের ভেতর ও ছাদ থেকে মোট উনসত্তর জন আটকে পড়া কর্মীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল কাঁচঘেরা থাকায় এবং ভেতরে প্রচুর পরিমাণে কাপড় থাকায় আগুন নেভানোর কাজ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা চরম ধৈর্য ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে এবং বিশেষ কৌশল প্রয়োগ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন।

উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত হলেও গুদামের ভেতরে থাকা কাপড়ের স্তূপের কারণে সম্পূর্ণ আগুন নির্বাপণ করা সময়সাপেক্ষ ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, কারখানায় নিজস্ব কোনো অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না এবং আশপাশে পানির কোনো উৎস না থাকায় তাদের বেশ বেগ পেতে হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, তবে সম্পূর্ণ আগুন নিভিয়ে ফেলার পর অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ ও কারখানার নিরাপত্তা ব্যবস্থার ত্রুটি খতিয়ে দেখতে তদন্ত করা হবে।