October 28, 2026, 7:25 am
শিরোনাম :
মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ কম্বোডিয়া থেকে ৯ মাসে বহিষ্কার তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি, আলোচনায় সাইবার স্ক্যাম জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কারো অবৈধ সাম্রাজ্য টিকানোর দায়িত্ব পুলিশের নয়: হাসনাত আবদুল্লাহ বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রথম ই-পারিবারিক আপিল আদালত চালু হচ্ছে কাল সমুদ্রে মাছের অভয়াশ্রম তৈরি করা হচ্ছে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আইজিপির দায়িত্ব থেকে অতি দ্রুত সরে যাওয়া উচিত: নাহিদ ইসলাম ভারি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত অন্ধ্রপ্রদেশের জনজীবন, প্রায় ২ লাখ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ইউনিক্লোকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান দর্শকের চেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যই যেন বেশি

গাজীপুরে গার্মেন্টসে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট

Reporter Name

শিল্প শহর গাজীপুরের চৌরাস্তা এলাকার ডেগিরচর ফকির মার্কেটে অবস্থিত মেট্রিক্স গার্মেন্টস নামের একটি তৈরি পোশাক কারখানায় আকস্মিক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। শনিবার দুপুর পৌনে তিনটার দিকে ওই কারখানা ভবনে আগুন লাগার বিষয়টি আশপাশের লোকজনের নজরে আসে এবং মুহূর্তের মধ্যে তা ছড়িয়ে পড়ে। ছুটির দিন বা কাজের ব্যস্ততার মাঝে হঠাৎ এই বিপদের কারণে কারখানার ভেতর ও আশপাশের এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘন ধোঁয়ায় চারপাশ আচ্ছন্ন হয়ে যাওয়ায় উদ্ধারকাজ শুরু করতে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়।

খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস স্টেশন থেকে দ্রুত উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সূত্রে জানা যায়, দুপুর তিনটার দিকে প্রথম দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। তবে আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় এবং কারখানা ভবনটি বড় হওয়ায় দ্রুত আরও ইউনিট বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের মোট ছয়টি ইউনিট ঘটনাস্থলে অংশ নেয়।

প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, মেট্রিক্স গার্মেন্টসের আটতলা ভবনটির তৃতীয় তলায় আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল। কারখানার ওই ফ্লোরে থাকা বিভিন্ন দাহ্য পদার্থের কারণে আগুন দ্রুত অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়ার উপক্রম হয়েছিল। তবে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তাৎক্ষণিকভাবে চারপাশ থেকে পানি ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালান। কোনাবাড়ী ও গাজীপুর ফায়ার স্টেশন ছাড়াও রাজেন্দ্রপুর থেকে আসা দুটি ইউনিট এই নির্বাপণ কাজে যোগ দেয়।

ফায়ার সার্ভিসের ত্বরিত পদক্ষেপে বড় ধরনের কোনো প্রাণহানি বা বড় ধরনের হতাহতের খবর এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। কারখানার ভেতরে আটকা পড়া কর্মীদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে সক্ষম হন উদ্ধারকর্মীরা। তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ বা ক্ষয়ক্ষতির আর্থিক পরিমাণ জানা যায়নি। পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসার পর তদন্ত সাপেক্ষে অগ্নিকাণ্ডের আসল কারণ ও ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ।