October 28, 2026, 5:38 am
শিরোনাম :
ভারি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত অন্ধ্রপ্রদেশের জনজীবন, প্রায় ২ লাখ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ইউনিক্লোকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান দর্শকের চেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যই যেন বেশি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গভর্নরের বৈঠক, ঢাকায় কার্যালয় খোলার আলোচনা বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপ-নির্বাচন: জামায়াত-বিএনপির পাল্টাপাল্টি অভিযোগ আচরণবিধি লঙ্ঘন ও পক্ষপাতিত্বের পত্রিকা: ‘নতুন পে-স্কেলে বেতন দিতে ব্যাংক ঋণ নেয়া বাড়িয়েছে সরকার’ অর্থনীতির বিপদ ক্ষমতাসীনরা টের পেতে শুরু করেছেন মধ্যবর্তী নির্বাচনে হেরে গেলেও কি ট্রাম্পের তাণ্ডব থামবে এখনই কেন দূরে তাকাচ্ছেন না নাজমুল

আজ রাতেই আসছে রূপপুরের পারমাণবিকের জ্বালানি

Reporter Name

রাশিয়া থেকে বিশেষ কার্গো বিমানে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি ঢাকায় এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম গণমাধ্যমকে এই জ্বালানি পৌঁছানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, অত্যন্ত স্পর্শকাতর এই পারমাণবিক চালানটি কঠোর নিরাপত্তার মাধ্যমে নির্দিষ্ট গন্তব্যে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কাজাখস্তান, আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও ভারত হয়ে এই বিশেষ বিমানটি ঢাকায় অবতরণ করার কথা রয়েছে।

প্রাথমিকভাবে এই পারমাণবিক জ্বালানি আগের দিন আসার কথা থাকলেও কিছু অনিবার্য কারণে তা এক দিন পিছিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে নির্ধারণ করা হয়। বর্তমান সময়সূচি অনুযায়ী, জ্বালানিটি ঢাকায় পৌঁছানোর পর কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে বিশেষ ব্যবস্থায় রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে স্থানান্তরের কাজ শুরু হবে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি করপোরেশন রসাটম জানিয়েছে, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই পুরো জ্বালানি সরবরাহ প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হবে। এই চালানের মাধ্যমে রূপপুরের প্রথম ইউনিটের রিফুয়েলিং এবং দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিটের মোট উৎপাদন সক্ষমতা দুই হাজার চারশ মেগাওয়াট। এর আগে প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোডিং সম্পন্ন হলেও বিভিন্ন কারিগরি পরীক্ষার কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সময়সূচিতে সামান্য পরিবর্তন ঘটে। সম্প্রতি প্রথম ইউনিটের সেফটি ভালভে ত্রুটি দেখা দিলেও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা তা সফলভাবে মেরামত করতে সক্ষম হয়েছেন। বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাওয়ার আগে এই ইউনিটে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে। সমস্ত পরীক্ষা সফলভাবে শেষ হলে এখান থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ শিগগিরই জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চুক্তি অনুযায়ী, প্রকল্প চালুর প্রথম তিন বছর রাশিয়া নিয়মিতভাবে এই জ্বালানি সরবরাহ করবে। পরবর্তীতে নির্দিষ্ট সময় পরপর জ্বালানি পরিবর্তনের জন্য বাংলাদেশকে নিয়মমাফিক তা আমদানি করতে হবে। রূপপুরের প্রথম ইউনিটে ব্যবহৃত জ্বালানির এক-চতুর্থাংশ প্রায় দেড় বছর পর পর পরিবর্তন করার নিয়ম রয়েছে, যার কারণে এই আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রকল্পের দ্বিতীয় ইউনিটের নির্মাণ ও কমিশনিং কার্যক্রমও বেশ ভালোভাবে এগিয়ে চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।