
খেলা ডেস্ক: বাংলাদেশ ফুটবল দলের সাম্প্রতিক ভুটান ম্যাচটি ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের মনে তীব্র কৌতূহল তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে ম্যাচের একটি কৌশলগত পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা চলছে চারদিকে। দলের নিয়মিত রক্ষণভাগের খেলোয়াড় বিশ্বনাথ ঘোষকে হঠাৎ করেই আক্রমণভাগে বা স্ট্রাইকার হিসেবে মাঠে নামানো হয়। আর এই সিদ্ধান্তটি নিয়েই দেশের ফুটবল অঙ্গনে নানা জল্পনা-কল্পনার সৃষ্টি হয়েছে।
ম্যাচটিতে দলের এই অপ্রত্যাশিত কৌশলগত চাল নিয়ে নানা মহলে বিশ্লেষণ শুরু হয়েছে। রক্ষণপ্রহরী হিসেবে পরিচিত একজন ফুটবলারকে কেন কোচের নির্দেশে একেবারে সামনের সারিতে খেলতে পাঠানো হলো, তা নিয়ে ভক্তদের পাশাপাশি ক্রীড়া বিশ্লেষকদের মধ্যেও কৌতূহল দেখা দিয়েছে। খেলার মাঠে এমন পরীক্ষা-নিরীক্ষা দলটির কৌশলগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।
ম্যাচ শেষে এই বিষয়ে প্রধান কোচ দলের কৌশলগত পরিকল্পনা এবং বিশ্বনাথকে ফরোয়ার্ড হিসেবে খেলানোর সুনির্দিষ্ট কারণ ব্যাখ্যা করেন। কোচের মতে, খেলার শেষ মুহূর্তে গোল শোধ করা বা ব্যবধান বাড়ানোর তাড়না থেকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। প্রতিপক্ষের রক্ষণব্যূহে বিভ্রান্তি তৈরি করতে এই ধরনের কৌশল মাঝেমধ্যে কাজে লাগাতে হয়।
সব মিলিয়ে, ভুটানের বিপক্ষে এই ম্যাচটি কেবল একটি জয় বা পরাজয়ের চেয়েও বেশি কিছু নিয়ে আলোচনার খোরাক জুগিয়েছে। রক্ষণ থেকে উঠে এসে আক্রমণভাগে বিশ্বনাথের এই ভূমিকা পালন ভবিষ্যতে দলের কোচিং স্টাফদের নতুন কোনো ভাবনার সূচনা করতে পারে। আন্তর্জাতিক ফুটবলে এমন ব্যতিক্রমী কৌশল দলের জয়ে কতটা ভূমিকা রাখতে পারে, তা নিয়ে এখন চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।
প্রকাশক সম্পাদক: মফিজুর রহমান দপ্তরী
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
ফিরোজ ম্যানসন (২য় তলা)
নওয়াপাড়া, অভয়নগর, যশোর।
www.noaparanews24.com