October 27, 2026, 11:05 pm
শিরোনাম :
ঘরে বসে কোরআনের অর্থ শিখবেন যেভাবে ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তনে গলাকাটা ফি নির্ধারণ করে শিক্ষার্থীদের জিম্মি করা চলবে না: মুসাদ্দিক ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র: দুই দেশের নির্বাচনের পরিণতি হবে বিশ্বব্যাপী হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতেই হবে: সর্বোচ্চ নেতা জীবনানন্দের স্মরণে ভার্চ্যুয়াল পাঠচক্র ইসরায়েলের নির্বাচনে হারছে নেতানিয়াহুর জোট ইসরায়েলে ভোটের ফলাফলে সম্ভাব্য ৪ পরিস্থিতি কী ভাওয়াইয়া থেকে ইসলামি গান, আব্বাসউদ্দীন আজও অম্লান ওলামা অ্যালায়েন্সের ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব ইনজিমামুল, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদ ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্য সরকারের: বিদ্যুৎমন্ত্রী

সিইসির পদত্যাগ দাবিতে বিহারে বিক্ষোভ, দিল্লিতে আজও মাঠে নামবেন বিরোধীরা

Reporter Name

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ করুন—এই প্রধান দাবিকে সামনে রেখে দেশটির বিভিন্ন প্রান্তে তুমুল আন্দোলন গড়ে তুলেছে বিরোধী দলগুলো। বিশেষ করে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের ব্যানারে একত্রিত হয়ে বিরোধী দলগুলোর নেতাকর্মীরা রাজপথে নেমেছেন এবং সরকারের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের জোরালো অভিযোগ তুলছেন। নির্বাচন কমিশন ক্ষমতাসীনদের রক্ষা করতে কাজ করছে এবং এর ফলে দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামো মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে বলে অভিযোগ বিরোধীদের। সাম্প্রতিক এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ভারতের বিভিন্ন রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে সম্প্রতি বিহারের পাটনা শহরে লোকভবন অভিমুখে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেয় ‘ইন্ডিয়া’ জোট। তবে পূর্বঘোষিত এই কর্মসূচি অনুযায়ী মিছিলটি লোকভবনের কাছাকাছি পৌঁছানোর আগেই স্থানীয় পুলিশ কঠোরহস্তে তা আটকে দেয় এবং বসানো হয় একাধিক ব্যারিকেড। পুলিশি বাধার মুখে পড়ে ক্ষুব্ধ আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে তাদের তীব্র ধস্তাধস্তি ও সংঘর্ষ বাধে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বিহারের বিরোধীদলীয় নেতা তেজস্বী যাদব, রাষ্ট্রীয় জনতা দলের সংসদ সদস্য মিসা ভারতী এবং বিকাশশীল ইনসান পার্টির প্রধান মুকেশ সাহনিসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় নেতাকে আটক করে।

পুলিশি আটকের আগে দেওয়া এক বক্তব্যে রাষ্ট্রীয় জনতা দলের নেতা তেজস্বী যাদব বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি অভিযোগ করেন যে বর্তমান প্রশাসন প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে আড়াল করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু সাধারণ মানুষ কোনোভাবেই এই অন্যায় বরদাश्त করবে না। যারা দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ধ্বংসের চক্রান্তের সঙ্গে সরাসরি জড়িত, জনগণ ভোটের মাধ্যমে তাদের উপযুক্ত জবাব দেবে বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন এই বিরোধী নেতা। শুধু বিহারেই নয়, একই দাবি জোরালো করতে দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কর্ণাটকেও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে কংগ্রেসের নেতাকর্মীরা।

বিহারের ঘটনার পর ভারতের রাজধানী দিল্লিতেও এই আন্দোলন আরও ছড়িয়ে পড়ে এবং বিরোধী দলগুলো সেখানে বড় ধরনের বিক্ষোভের প্রস্তুতি নেয়। ‘ইন্ডিয়া’ জোটের এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দিল্লির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে এবং সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেয়। রাজধানীর সংসদ মার্গ, অশোক রোড এবং জনপথ রোডের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়, যাতে যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হয়।