October 28, 2026, 9:06 pm
শিরোনাম :
বীমা কোম্পানির সিএফও হতে লাগবে ৭ যোগ্যতা পুলিশের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ নেতানিয়াহুকে সরাতে আরব দলগুলোর সঙ্গে ঐক্যের ডাক গোলানের গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানেরও ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই চার জুটির চার রকম প্রেম, তিন নতুন মুখের অভিষেক নভেম্বরে ইন্ডিয়া জোটের সমাবেশ, সমর্থন জানাল ককরোচ পার্টি ১২৬৯ ভবনের মালিককে রাজউকের চূড়ান্ত নোটিশ, নির্দেশনা না মানলে ব্যবস্থা দাঁড়িয়ে গেলেন পঞ্চাশোর্ধ্ব নারী, অথচ বসে থাকলেন তরুণ ও মধ্যবয়সী পুরুষেরা আগৈলঝাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি গ্রেপ্তার তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ছাড়া গত্যন্তর নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সাংবাদিকদের গ্রেপ্তার ও সংবাদমাধ্যম বন্ধের প্রতিবাদে তুরস্কে বিক্ষোভ

Reporter Name

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: তুরস্কে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর চলমান কড়াকড়ি এবং গণমাধ্যমকর্মীদের নির্বিচারে গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন দেশের সচেতন নাগরিক ও মানবাধিকার কর্মীরা। সম্প্রতি সরকারের কঠোর নীতির কারণে দেশটিতে ডিজিটাল সেন্সরশিপ উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সাধারণ মানুষের অবাধে তথ্য পাওয়ার অধিকারকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করছে। এই পরিস্থিতির প্রতিবাদে রাজপথে নেমে এসেছেন বিভিন্ন পেশার মানুষ এবং তারা স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ পুনরুদ্ধারের দাবি তুলেছেন।

বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেছেন যে, বর্তমান প্রশাসন রাজনৈতিক স্বার্থে সংবাদমাধ্যমগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে এবং সত্য প্রকাশ করায় অনেক সাংবাদিককে অন্যায়ভাবে কারাবন্দি করা হয়েছে। গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করার এসব অনৈতিক পদক্ষেপ দেশের গণতন্ত্রের ভিত্তিকে দুর্বল করে দিচ্ছে বলে তারা মন্তব্য করেন। নাগরিকদের মৌলিক অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় অবিলম্বে এসব বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার জন্য তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রতিবাদ সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ছাড়া একটি সুস্থ সমাজ বা কার্যকর গণতন্ত্র কল্পনা করা যায় না। জনগণের সঠিক তথ্য জানার অধিকার নিশ্চিত করতে তারা গণমাধ্যম বন্ধের অপতৎপরতা এবং ডিজিটাল আইনের নামে চলা নিপীড়ন অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি জানান। অন্যথায় সরকারের বিরুদ্ধে আরও কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার হুশিয়ারিও দিয়েছেন আন্দোলনরত নেতাকর্মীরা।

বিশ্লেষকদের মতে, তুরস্কে দীর্ঘদিন ধরেই গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সংকুচিত হয়ে আসছে এবং সাম্প্রতিক সময়ে এই পরিস্থিতি আরও বেশি অবনতির দিকে গেছে। এই গণবিক্ষোভ প্রমাণ করে যে সাধারণ মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় আগের চেয়ে অনেক বেশি সোচ্চার হয়েছেন। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোও তুরস্ক সরকারের এমন দমনপীড়নমূলক নীতির সমালোচনা করে আসছে এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার ওপর জোর দিচ্ছে।