October 28, 2026, 8:00 am
শিরোনাম :
গাজীপুর কর অঞ্চলে চাকরি, পদ ৩৪ মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ কম্বোডিয়া থেকে ৯ মাসে বহিষ্কার তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি, আলোচনায় সাইবার স্ক্যাম জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কারো অবৈধ সাম্রাজ্য টিকানোর দায়িত্ব পুলিশের নয়: হাসনাত আবদুল্লাহ বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রথম ই-পারিবারিক আপিল আদালত চালু হচ্ছে কাল সমুদ্রে মাছের অভয়াশ্রম তৈরি করা হচ্ছে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আইজিপির দায়িত্ব থেকে অতি দ্রুত সরে যাওয়া উচিত: নাহিদ ইসলাম ভারি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত অন্ধ্রপ্রদেশের জনজীবন, প্রায় ২ লাখ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ইউনিক্লোকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

রেলওয়ের প্রস্তুতি: পূজায় বিশেষ ট্রেন, বিভিন্ন ট্রেনে সংযুক্ত হবে কোচ

Reporter Name

জাতীয় ডেস্ক: আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সাধারণ মানুষের যাতায়াত সহজ ও নিরাপদ করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ছুটির সময়ে ঘরমুখী মানুষের অতিরিক্ত চাপ সামাল দিতে বিভিন্ন রুটে বিশেষ ট্রেন পরিচালনা এবং বিদ্যমান ট্রেনগুলোতে বাড়তি বগি সংযোজন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার রেলভবনে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের প্রস্তুতিমূলক সভায় এসব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। রেলওয়ের পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ওই সভায় উপস্থিত ছিলেন। মূলত ছুটির দিনগুলোতে যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে এবং নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতেই এই বিশেষ প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, পূজার ছুটির মধ্যে চট্টগ্রাম-ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা রুটে তিন দিন কোরীয় কোচের সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ ট্রেন চলাচল করবে। যাত্রীদের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা মাথায় রেখে পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন আন্তঃনগর ও মেইল ট্রেনে অতিরিক্ত কোচ বা বগি সংযোজন করা হবে। উভয় অঞ্চলের মহাব্যবস্থাপকদের পাঠানো সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবের ভিত্তিতে এই ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। অতিরিক্ত ট্রেন ও কোচ পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় রেক এবং ইঞ্জিন প্রস্তুত রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ট্রেনের স্বাভাবিক চলাচল সচল রাখতে বিভিন্ন ট্রেনের নির্ধারিত অফ-ডে বা বিরতির দিনগুলোও প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।

যাত্রাপথে আকস্মিক কোনো ইঞ্জিন বিকল বা যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে দীর্ঘ সময় ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখতে না হয়, সে জন্য বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দেশের গুরুত্বপূর্ণ আটটি রেলওয়ে জংশন ও স্টেশনে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবহারের জন্য রিলিফ ইঞ্জিন বা উদ্ধারকারী ইঞ্জিন প্রস্তুত রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর মধ্যে টঙ্গী, ময়মনসিংহ, আখাউড়া, লাকসাম, কুলাউড়া, ঈশ্বরদী, পার্বতীপুর ও রাজবাড়ী স্টেশনকে এই ব্যবস্থার আওতায় রাখা হয়েছে। এমনকি কৌশলগত কারণে যমুনা সেতুর নিকটবর্তী একটি সুবিধাজনক স্থানেও অতিরিক্ত রিলিফ ইঞ্জিন প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে জরুরি পণ্যবাহী ও কনটেইনার ট্রেনগুলোর চলাচল স্বাভাবিক রাখতেও প্রয়োজনীয় ইঞ্জিন সরবরাহের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

পূজার এই সময়ে যাত্রীদের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। ট্রেনের ছাদে অতিরিক্ত যাত্রীদের ভ্রমণ রোধ, বিনা টিকিটে স্টেশন চত্বরে প্রবেশ ঠেকানো এবং চলন্ত ট্রেনে নাশকতা বা পাথর নিক্ষেপের মতো অপরাধমূলক ঘটনা প্রতিরোধে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোা. ফাহিমুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, পূজায় যাত্রীদের যাতায়াত নিরাপদ করতে রেলওয়ে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এসব সিদ্ধান্ত কঠোরভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।