October 28, 2026, 4:45 am
শিরোনাম :
দর্শকের চেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যই যেন বেশি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গভর্নরের বৈঠক, ঢাকায় কার্যালয় খোলার আলোচনা বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপ-নির্বাচন: জামায়াত-বিএনপির পাল্টাপাল্টি অভিযোগ আচরণবিধি লঙ্ঘন ও পক্ষপাতিত্বের পত্রিকা: ‘নতুন পে-স্কেলে বেতন দিতে ব্যাংক ঋণ নেয়া বাড়িয়েছে সরকার’ অর্থনীতির বিপদ ক্ষমতাসীনরা টের পেতে শুরু করেছেন মধ্যবর্তী নির্বাচনে হেরে গেলেও কি ট্রাম্পের তাণ্ডব থামবে এখনই কেন দূরে তাকাচ্ছেন না নাজমুল হাতে ব্যালন ডি’অর, মাথায় ব্যবসার বুদ্ধি—যেভাবে দুই ভুবনের ‘রাজা’ কেইন হার্ভার্ডে সম্পূর্ণ অর্থায়নে ফেলোশিপের সুযোগ

রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবালসহ ৮ জনের ১৪ বছর কারাদণ্ড

Reporter Name

আইন-আদালত ডেস্ক: রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বা রাজউকের প্লট বরাদ্দে সংঘটিত অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলার বিচার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। আলোচিত এই দুর্নীতি মামলায় রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল উদ্দিন চৌধুরীসহ মোট আটজন আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করেছে আদালত। রায়ে আসামিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় এই কঠোর শাস্তির আদেশ দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক মো. আব্দুস সালাম এই মামলার রায় ঘোষণা করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের পেশকার সাইফুল ইসলাম মিঠু রায়ের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া এবং সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এই চাঞ্চল্যকর মামলার রায় প্রদান করে, যা সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

এই রায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত অন্যান্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন রাজউকের সাবেক সদস্য এস ডি ফয়েজ, এ কে এম ওয়াহেদুল ইসলাম, এস এম জাফর উল্লাহ, এইচ এম জহুরুল হক এবং মোড়ের রেজাউল করিম তরফদার। এছাড়া মামলার অপর দুই অভিযুক্ত ব্যক্তি হলেন আম্বার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত আজিজ ও আশফাক আজিজ। আদালত তাদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়ায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

আদালতের রায়ে রাজউকের সাবেক ছয় কর্মকর্তাকে ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ধারা এবং দণ্ডবিধির প্রাসঙ্গিক ধারায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। এর ফলে তাদের প্রত্যেককে দুটি পৃথক ধারায় সাত বছর করে মোট চৌদ্দ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তাদের প্রত্যেককে বিশ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে, যা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

অন্যদিকে, মামলার অপর দুই আসামি শওকত আজিজ ও আশফাক আজিজকেও একই আইনের আওতায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। বিচারক তাদের উভয়কেও সাত বছর করে মোট চৌদ্দ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং বিশ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের নির্দেশ দেন। নির্ধারিত জরিমানা পরিশোধ না করলে তাদেরও অতিরিক্ত কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে বলে রায়ে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।