October 29, 2026, 4:03 am
শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরলেন হুইপ জি কে গউছ মাতারবাড়ী হয়ে ‘সেভেন সিস্টার্সে’র সঙ্গে সংযোগ জোরদার করতে চায় জাপান, যা বলল ভারত ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে, আবার সাগরে ছুটবে মাছ ধরার নৌকা গঙ্গা পানি চুক্তি নবায়নে ভারতের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ: এএফপির প্রতিবেদন প্রাথমিকে শিক্ষকতায় প্রকৌশলী-চিকিৎসক–এমফিল-পিএইচডিসহ ৩০ ধরনের ডিগ্রিধারীরা সরকারি দলের পক্ষে সমর্থনের অভিযোগ, ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সুলভ সরকারি এলপিজি কোথায় যায়, কারা পায় ব্যাংক খাত ঠিক হবে তো? ফ্রান্সসহ ইউরোপে বিক্ষোভের জন্য মুসলমানরা দায়ী! স্বাধীন বাংলাদেশের সংস্কৃতির সংকট

মেকআপে আনাড়ি? ব্লাশন ব্যবহারে যে ভুলগুলো এড়িয়ে চলতে হবে

Reporter Name

লাইফস্টাইল ডেস্ক: দৈনন্দিন সাজসোজায় ব্লাশনের ব্যবহার মুখের চেহারায় মুহূর্তেই সতেজ ও প্রাণবন্ত ভাব এনে দেয়। অনেকেই ভারী মেকআপ এড়িয়ে কেবল হালকা ক্রিম ও পাউডার বুলিয়ে দুগালে ব্লাশন লাগাতে পছন্দ করেন। তবে মেকআপের প্রাথমিক পর্যায়ে থাকা অনেকেই ব্লাশন ব্যবহারের সঠিক নিয়মগুলো না জানার কারণে অজান্তেই নানা ভুল করে ফেলেন। এই ভুলগুলোর কারণে অনেক সময় সাধারণ সাজেও মুখের রূপ অতিরঞ্জিত কিংবা বয়স বেশি মনে হতে পারে। তাই ব্লাশন ব্যবহারের কিছু সাধারণ নিয়ম ও সতর্কতা সম্পর্কে ধারণা রাখা প্রত্যেক রূপরসিকের জন্যই জরুরি।

ব্লাশন দীর্ঘক্ষণ স্থায়ী না হওয়ার একটি বড় কারণ হলো ত্বকে কোনো বেজ বা ভিত্তি তৈরি না করেই এটি ব্যবহার করা। অনেক সময় ত্বক প্রস্তুত না করেই সরাসরি ব্লাশন লাগানোর ফলে তা বেশিক্ষণ ত্বকে টিকে থাকে না। এটি সঠিকভাবে ত্বকের সঙ্গে মিশিয়ে দীর্ঘস্থায়ী করতে হলে প্রথমে ময়েশ্চারাইজার, ফাউন্ডেশন বা হালকা পাউডার দিয়ে একটি বেজ তৈরি করে নেওয়া উচিত। এর ফলে ব্লাশনের স্থায়িত্ব যেমন বাড়ে, তেমনি সামগ্রিক রূপেও একটি মসৃণ ও সুন্দর ফিনিশিং আসে।

গালে ব্লাশন ঠিক কোন স্থানে প্রয়োগ করতে হবে, তা নির্ধারণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ। সবার মুখের গঠন একরকম না হওয়ায় একেক জনের ক্ষেত্রে ব্লাশনের প্রয়োগের স্থানও আলাদা হতে পারে। সাধারণত ঠোঁট থেকে দুই আঙুল ওপরের অংশে এবং হাসলে গালের যে অংশ উঁচু হয়, সেখানে এটি ব্যবহার করা উচিত। এরপর সেখান থেকে চিকবোন বা কালের হাড় এবং কপালের দিকে হালকা হাতে ব্লাশন ব্লেন্ড করে নিতে হবে।

সঠিক মেকআপ ব্রাশ নির্বাচন করা এবং অতিরিক্ত প্রোডাক্ট ঝেড়ে ফেলা ব্লাশন ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। খুব বেশি ঘনত্বের ব্রাশ ব্যবহার করলে একসাথে অনেক বেশি ব্লাশন লেগে যেতে পারে, যা দেখতে বেমানান লাগে। তাই হালকা ঘনত্বের ব্রাশে ব্লাশন নিয়ে সামান্য ঝেড়ে অতিরিক্ত অংশ ফেলে দিয়ে তবেই ত্বকে ব্যবহার করা উচিত। এ ছাড়া বাজারে নানা রঙের ব্লাশন পাওয়া যায়, যেগুলোর মধ্যে ফর্সা ত্বকের জন্য গোলাপি ও শ্যামলা ত্বকের জন্য বাদামি বা পাম রঙের ব্লাশন বেশি মানানসই।

ত্বকের ধরনের ওপর ভিত্তি করে সঠিক ফর্মুলার ব্লাশন নির্বাচন করাও নিখুঁত মেকআপের একটি অপরিহার্য শর্ত। সাধারণত বাজারে পাউডার এবং ক্রিম ব্লাশন সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ও প্রচলিত রয়েছে। তৈলাক্ত ত্বকের অধিকারীদের জন্য পাউডার ব্লাশন ব্যবহার করা সুবিধাজনক হলেও শুষ্ক ত্বকের জন্য ক্রিম ব্লাশন বেশি উপযোগী। আপনার ত্বকের ধরন যাই হোক না কেন, ব্লাশন লাগানোর পর তা সঠিকভাবে ব্লেন্ড করা অত্যন্ত জরুরি, অন্যথায় সাজ অগোছালো ও অসমান দেখাবে।