October 28, 2026, 3:41 am
শিরোনাম :
বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপ-নির্বাচন: জামায়াত-বিএনপির পাল্টাপাল্টি অভিযোগ আচরণবিধি লঙ্ঘন ও পক্ষপাতিত্বের পত্রিকা: ‘নতুন পে-স্কেলে বেতন দিতে ব্যাংক ঋণ নেয়া বাড়িয়েছে সরকার’ অর্থনীতির বিপদ ক্ষমতাসীনরা টের পেতে শুরু করেছেন মধ্যবর্তী নির্বাচনে হেরে গেলেও কি ট্রাম্পের তাণ্ডব থামবে এখনই কেন দূরে তাকাচ্ছেন না নাজমুল হাতে ব্যালন ডি’অর, মাথায় ব্যবসার বুদ্ধি—যেভাবে দুই ভুবনের ‘রাজা’ কেইন হার্ভার্ডে সম্পূর্ণ অর্থায়নে ফেলোশিপের সুযোগ এআইয়ের সঙ্গে করা চ্যাট ডিলিট করলেও সব ডিলিট হয় না এআইয়ের পানি ব্যবহার নিয়ে স্যাম অল্টম্যানের দাবি কতটা সত্য

মৃত শাবক নিয়ে ঘুরছিল মাদি হাতি, প্রাণীদের শোকের বিরল আচরণ

Reporter Name

ডেস্ক রিপোর্ট: প্রাণিজগতেও যে গভীর আবেগ এবং শোক প্রকাশের ক্ষমতা রয়েছে, তা সম্প্রতি ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফার অফ দ্য ইয়ার প্রতিযোগিতায় বিজয়ী একটি ছবির মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত হয়েছে। অত্যন্ত হৃদয়বিদারক এই ঘটনাটি বন্যপ্রাণীপ্রেমী ও গবেষকদের মনোযোগ কেড়েছে। ছবিটিতে দেখা যায়, একটি মাদি হাতি তার মৃত সন্তানকে শুঁড় দিয়ে জড়িয়ে ধরে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বয়ে নিয়ে চলেছে। প্রাণীদের বুদ্ধিমত্তা এবং তাদের জটিল মানসিক জগৎ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা চলছে, আর এই ঘটনাটি সেই আলোচনাকে আরও একধাপ এগিয়ে দিয়েছে।

বন্যপ্রাণী গবেষক ও আলোকচিত্রীদের মতে, হাতির মতো বুদ্ধিমান ও সামাজিক প্রাণীদের মধ্যে শোক প্রকাশের সংস্কৃতি বেশ পুরোনো। মানুষের মতো তারাও তাদের পরিজনদের মৃত্যু সহজে মেনে নিতে পারে না এবং অনেক সময় দীর্ঘ সময় ধরে প্রিয়জনের মৃতদেহের পাশে সময় কাটায়। এই মাদি হাতিটির আচরণও ছিল তেমনই একটি মর্মস্পর্শী বহিঃপ্রকাশ, যা তার ভেতরের তীব্র মাতৃত্বকালীন বেদনা ও শূন্যতাকে স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলে। শাবকটির মৃত্যুর পরও মা হাতির এই ঘুরে বেড়ানো বন্যপ্রাণীর মানসিক জটিলতার এক অনন্য দলিল হিসেবে ধরা দিয়েছে ক্যামেরায়।

প্রকৃতির এমন দুর্লভ ও আবেগঘন মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দী করা আলোকচিত্রীর জন্য অত্যন্ত ধৈর্যের বিষয় ছিল। ছবিটির মাধ্যমে সাধারণ মানুষ বন্যপ্রাণীদের প্রতি আরও বেশি সংবেদনশীল হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে। মানুষ ছাড়াও যে অন্যান্য প্রাণীদের মাঝেও ভালোবাসা, মায়া এবং শোকের মতো অনুভূতিগুলো গভীরভাবে কাজ করে, এই ঘটনা তার একটি শক্তিশালী প্রমাণ। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই ধরনের দৃশ্য মানুষের সঙ্গে বন্যপ্রাণীর সম্পর্কের দূরত্ব কমিয়ে তাদের সংরক্ষণে আরও বেশি উদ্বুদ্ধ করবে।