October 28, 2026, 7:12 am
শিরোনাম :
কম্বোডিয়া থেকে ৯ মাসে বহিষ্কার তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি, আলোচনায় সাইবার স্ক্যাম জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কারো অবৈধ সাম্রাজ্য টিকানোর দায়িত্ব পুলিশের নয়: হাসনাত আবদুল্লাহ বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রথম ই-পারিবারিক আপিল আদালত চালু হচ্ছে কাল সমুদ্রে মাছের অভয়াশ্রম তৈরি করা হচ্ছে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আইজিপির দায়িত্ব থেকে অতি দ্রুত সরে যাওয়া উচিত: নাহিদ ইসলাম ভারি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত অন্ধ্রপ্রদেশের জনজীবন, প্রায় ২ লাখ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ইউনিক্লোকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান দর্শকের চেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যই যেন বেশি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গভর্নরের বৈঠক, ঢাকায় কার্যালয় খোলার আলোচনা

ময়মনসিংহে ৭ জন নিহতের ঘটনায় বাসচালককে আসামি করে মামলা

Reporter Name

ময়মনসিংহ শহরের বাইপাস মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে সাতজন নিহতের ঘটনায় বাসচালককে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সম্প্রতি সংঘটিত এই মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির পর নিহতের স্বজন ও স্থানীয় লোকজনের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে। দুর্ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘাতক বাসটি এবং দুমড়েমুচড়ে যাওয়া অটোরিকশাটি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসে। তবে ঘটনার পর থেকেই বাসটির চালক ও তার সহকারীরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করা সম্ভব হয়নি।

কোতোয়ালি মডেল থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ঘটনায় জামালপুর সদর উপজেলার দড়িহামিদপুর গ্রামের বাসিন্দা মোবারক আলী বাদী হয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরবর্তীতে পুলিশ সেই অভিযোগ আমলে নিয়ে নিয়মিত মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করে এবং পলাতক বাসচালককে আইনের আওতায় আনতে অভিযান শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা রাজীব পরিবহনের একটি দ্রুতগামী বাস বিপরীত দিক থেকে আসা অটোরিকশাটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়, যার ফলে ঘটনাস্থলেই ওই বড় দুর্ঘটনা ঘটে।

এই দুর্ঘটনায় নিহত সবাই জামালপুর জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা ছিলেন এবং তাদের মধ্যে একই পরিবারের চারজন সদস্যও ছিলেন। নিহতরা হলেন রাশিদা বেগম, তাঁর ছেলে মোফাজ্জল হোসেন লেবু, নাতনি মর্জিনা আক্তার ও প্রপৌত্র মিনাল। এছাড়া অটোরিকশাচালক সুজন আলী এবং আকরাম আলী ও তাঁর স্ত্রী মমতা বেগমও এই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান। আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং পরবর্তীতে নিজ নিজ এলাকায় জানাজা শেষে তাদের দাফন সম্পন্ন করা হয়।

এদিকে এই মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনার পর রাজীব পরিবহনের বেপরোয়া চালকদের বিচারের দাবিতে ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। সম্প্রতি জামালপুর শহরের ফৌজদারি এলাকায় ওই পরিবহনের বাসের প্রতীকী লাশের কফিন নিয়ে গায়েবানা জানাজা ও বিক্ষোভ মিছিল করেন তারা। স্থানীয়দের অভিযোগ, ঢাকা-জামালপুর রুটে চলাচলকারী এই পরিবহন সংস্থার বাসগুলো সবসময় অতিরিক্ত গতিতে ও নিয়ম ভেঙে চলাচল করে। নিহতদের পরিবারে শোকের মাতমের পাশাপাশি ঘাতক চালকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে।