October 29, 2026, 4:56 am
শিরোনাম :
ভোট দিয়ে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল বললেন, ‘শতভাগ জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী’ প্রাণ-আরএফএল প্রেজেন্টস প্রিজম এআই ক্রিয়েটিভ অ্যাওয়ার্ডসের চূড়ান্ত বিচারকার্যে দেশের বিশিষ্টজনেরা পকেটে হারমোনিকা, কোথায় পাব, দাম কত যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরলেন হুইপ জি কে গউছ মাতারবাড়ী হয়ে ‘সেভেন সিস্টার্সে’র সঙ্গে সংযোগ জোরদার করতে চায় জাপান, যা বলল ভারত ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে, আবার সাগরে ছুটবে মাছ ধরার নৌকা গঙ্গা পানি চুক্তি নবায়নে ভারতের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ: এএফপির প্রতিবেদন প্রাথমিকে শিক্ষকতায় প্রকৌশলী-চিকিৎসক–এমফিল-পিএইচডিসহ ৩০ ধরনের ডিগ্রিধারীরা সরকারি দলের পক্ষে সমর্থনের অভিযোগ, ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সুলভ সরকারি এলপিজি কোথায় যায়, কারা পায়

ভাঙ্গা–কুয়াকাটা মহাসড়ক প্রকল্প একনেকে উঠছে ৩ নভেম্বর

Reporter Name

জাতীয় ডেস্ক: পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পর্যটনকেন্দ্রে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী পর্যটন কার্নিভ্যালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু ঘোষণা দেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি জানান, বহু প্রতীক্ষিত ভাঙ্গা-কুয়াকাটা মহাসড়ক প্রকল্পটি আগামী তিন নভেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির অর্থাৎ একনেক সভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পটি অনুমোদন লাভ করলে পরবর্তী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে এর নির্মাণকাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। মহাসড়কটির কাজ শেষ হলে কুয়াকাটার পর্যটন শিল্পে এক বিশাল সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচিত হবে বলে তিনি মনে করেন।

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কথা তুলে ধরে পর্যটনমন্ত্রী বলেন যে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিকরা নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করছেন। পর্যটন খাতের জন্য দেশের যে চার-পাঁচটি প্রধান স্থান বিদেশি বিনিয়োগকারীদের নজর কেড়েছে, তার মধ্যে কক্সবাজারের পরই কুয়াকাটা, সুন্দরবন, সিলেট ও সাজেকের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। সরকার বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহযোগিতা ও উৎসাহ দিতে প্রস্তুত রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। কক্সবাজারের পাশাপাশি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই সমুদ্রসৈকতের সার্বিক উন্নয়নে সরকারের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি বলেন যে বর্তমান প্রশাসন যেকোনো উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট মহাপরিকল্পনা বা মাস্টারপ্ল্যান অনুসরণ করছে। এর ফলে প্রকল্পের কাজে কোনো ধরনের দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হওয়ার সুযোগ থাকছে না এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করা সম্ভব হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানের পরিকল্পনাবিদদের সম্পৃক্ত করে কুয়াকাটা পর্যটনকেন্দ্রকে নতুনভাবে সাজানোর সুদূরপ্রসারী উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। দেশের পর্যটন খাতকে অর্থনৈতিকভাবে আরও বেশি শক্তিশালী ও আকর্ষণীয় করে তুলতে এই ধরনের সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে বক্তারা অভিমত প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই মতবিনিময় সভায় স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেন। সভায় পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ বি এম মোশাররফ হোসেন, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সুলতানা জেসমিন এবং বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদসহ স্থানীয় প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলার বিভিন্ন স্তরের রাজনৈতিক নেতারাও এই কার্নিভ্যাল ও মতবিনিময় সভায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।