October 28, 2026, 4:19 am
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গভর্নরের বৈঠক, ঢাকায় কার্যালয় খোলার আলোচনা বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপ-নির্বাচন: জামায়াত-বিএনপির পাল্টাপাল্টি অভিযোগ আচরণবিধি লঙ্ঘন ও পক্ষপাতিত্বের পত্রিকা: ‘নতুন পে-স্কেলে বেতন দিতে ব্যাংক ঋণ নেয়া বাড়িয়েছে সরকার’ অর্থনীতির বিপদ ক্ষমতাসীনরা টের পেতে শুরু করেছেন মধ্যবর্তী নির্বাচনে হেরে গেলেও কি ট্রাম্পের তাণ্ডব থামবে এখনই কেন দূরে তাকাচ্ছেন না নাজমুল হাতে ব্যালন ডি’অর, মাথায় ব্যবসার বুদ্ধি—যেভাবে দুই ভুবনের ‘রাজা’ কেইন হার্ভার্ডে সম্পূর্ণ অর্থায়নে ফেলোশিপের সুযোগ এআইয়ের সঙ্গে করা চ্যাট ডিলিট করলেও সব ডিলিট হয় না

বৈদেশিক মুদ্রাসহ প্রায় ২৪ কেজি সোনা–রুপার অলংকার মিলল পাগলা মসজিদের দানসিন্দুকে

Reporter Name

জাতীয় ডেস্ক: কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানসিন্দুক বা সিন্দুকগুলো থেকে এবার রেকর্ড পরিমাণ সোনা, রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রা উদ্ধার করা হয়েছে। সম্প্রতি নিয়মিত নিয়ম অনুযায়ী মসজিদের সিন্দুকগুলো খোলার পর সেখানে বিপুল পরিমাণ সম্পদ পাওয়া যায়। সাধারণত তিন থেকে চার মাস পরপর এই সিন্দুকগুলো খোলা হলেও এবার একটু দীর্ঘ সময় পর সেগুলো খোলা হয়েছিল। আর এতেই মিলেছে ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ এই দানসামগ্রী।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দীর্ঘ সময় পর দানবাক্সগুলো খোলার পর গণনার কাজ শুরু করেন নানা পেশার মানুষ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘক্ষণ ধরে গণনার পর দেখা যায়, দানসিন্দুকে নগদ টাকার পাশাপাশি জমা পড়েছে প্রায় ২৪ কেজি সোনা ও রুপার অলংকার। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সৌদি আরবসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রাও পাওয়া গেছে এসব বাক্সে।

স্থানীয় প্রশাসন ও মসজিদ কমিটির তত্ত্বাবধানে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে এই অর্থ ও সম্পদ গণনার কাজ পরিচালিত হয়। সাধারণত ছুটির দিন বা বিশেষ সময়ে এই ঐতিহাসিক মসজিদে মানুষের ঢল নামে এবং তারা বিপুল পরিমাণে নগদ অর্থ, সোনাদানা ও বিভিন্ন জিনিসপত্র দান করে থাকেন। এসব দানের অর্থ মসজিদ ও এর সাথে জড়িত একটি বড় মাদ্রাসার খরচ ছাড়াও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কাজে ব্যয় করা হয়।

পাগলা মসজিদের এই দানবাক্সগুলো খোলার পর প্রতিবারই নতুন নতুন রেকর্ড তৈরি হয়, যা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি, বরং সোনা-রুপার অলংকার ও বৈদেশিক মুদ্রার পরিমাণ আগের সব রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে। স্থানীয়রা মনে করেন, এই মসজিদের প্রতি মানুষের অগাধ বিশ্বাস ও ভক্তি রয়েছে, যে কারণে সর্বস্তরের মানুষ এখানে মুক্তহস্তে দান করে থাকেন।