October 28, 2026, 9:51 pm
শিরোনাম :
মাও সে তুংকে নিয়ে রসিকতা, এমবাপ্পের জন্য চীনের কাছে ক্ষমা চাইল রিয়াল সাব-এজেন্টদের জবাবদিহি ও রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর গ্রেডিং প্রয়োজন ইংলিসের ব্যাটে লিড পেল অস্ট্রেলিয়া বীমা কোম্পানির সিএফও হতে লাগবে ৭ যোগ্যতা পুলিশের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ নেতানিয়াহুকে সরাতে আরব দলগুলোর সঙ্গে ঐক্যের ডাক গোলানের গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানেরও ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই চার জুটির চার রকম প্রেম, তিন নতুন মুখের অভিষেক নভেম্বরে ইন্ডিয়া জোটের সমাবেশ, সমর্থন জানাল ককরোচ পার্টি ১২৬৯ ভবনের মালিককে রাজউকের চূড়ান্ত নোটিশ, নির্দেশনা না মানলে ব্যবস্থা

বাড়িঘর নিরাপদ রাখতে নবীজির শেখানো ৫ আমল

Reporter Name

ধর্ম ডেস্ক: অদৃশ্য বিপদাপদ, শয়তানের প্ররোচনা এবং বিভিন্ন ধরনের বালা-মুসিবত থেকে নিজের আবাসস্থলকে সুরক্ষিত রাখতে ইসলাম ধর্মে কিছু সুনির্দিষ্ট আমলের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মুসলিম উম্মাহর জন্য প্রিয়নবী হজরত মোহাম্মদ (সা.) দৈনন্দিন জীবনে ঘরবাড়ি নিরাপদ রাখার বহু কার্যকরী পদ্ধতি শিখিয়ে গেছেন। এসব আমল নিয়মিত পালন করলে শুধু ঘরবাড়ির পরিবেশই শান্ত থাকে না, বরং আল্লাহর রহমত ও বরকতে চারপাশ পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে।

ঘর নিরাপদ রাখার প্রথম ও প্রধান আমল হলো ঘরে নিয়মিত কোরআন তেলাওয়াত করা, বিশেষ করে পবিত্র কুরআনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সুরা বাকারা পাঠ করা। হাদিসে বর্ণিত রয়েছে যে বাড়িতে সুরা বাকারা তেলাওয়াত করা হয়, সে ঘর থেকে শয়তান পালিয়ে যায় এবং অলৌকিক উপায়ে অশুভ শক্তির প্রভাব থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। তাই নিয়মিত সুরা বাকারা তেলাওয়াতের মাধ্যমে পুরো পরিবারের জন্য আধ্যাত্মিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব।

দ্বিতীয়ত, ঘরে প্রবেশের সময় নিয়ম মেনে আল্লাহর নাম স্মরণ করা এবং সালাম দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল। প্রিয়নবী (সা.) শিখিয়েছেন যে কোনো ব্যক্তি যখন নিজ গৃহে প্রবেশের সময় বিসমিল্লাহ বলে আল্লাহর জিকির করে এবং ঘরে অবস্থানরতদের সালাম দেয়, তখন শয়তান তার সঙ্গীদের বলে যে আজ রাতে এই ঘরে তোমাদের কোনো প্রবেশাধিকার বা রাতের খাবারের সুযোগ নেই। এই সাধারণ অভ্যাসটি ঘরের ভেতর বরকত বজায় রাখতে দারুণভাবে সাহায্য করে।

তৃতীয় এবং চতুর্থ আমল হিসেবে ঘরে বেশি বেশি নফল নামাজ আদায় করা এবং আল্লাহর জিকির বা ইস্তিগফার করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। নবী করিম (সা.) ঘরকে কেবল ঘুমানোর স্থান না বানিয়ে সেখানে নফল ইবাদতের মাধ্যমে বরকতময় করার তাগিদ দিয়েছেন। এছাড়া প্রতিনিয়ত দরুদ শরিফ পাঠ এবং আসমাউল হুসনা বা আল্লাহর সুন্দর নামসমূহ জপ করার মাধ্যমে ঘরের ভেতর একটি পবিত্র ও সুরক্ষিত পরিবেশ তৈরি করা যায় যা সব ধরনের বিপদ দূর করে।

পঞ্চম ও শেষ আমলটি হলো ঘরের চারপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং নিয়মিত দোয়া বা মোনাজাতের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করা। প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় নির্দিষ্ট কিছু সুরক্ষা দোয়া পাঠ করলে অদৃশ্য সব ক্ষতিকর প্রভাব থেকে পরিবার নিরাপদ থাকে। এই পাঁচটি আমল নিয়মিত পালনের মাধ্যমে একজন মুমিন তার ঘরকে জান্নাতি টুকরায় রূপান্তর করতে পারেন এবং যেকোনো ধরনের আপদ-বিপদ থেকে নিরাপদে থাকতে পারেন।