October 29, 2026, 4:04 am
শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরলেন হুইপ জি কে গউছ মাতারবাড়ী হয়ে ‘সেভেন সিস্টার্সে’র সঙ্গে সংযোগ জোরদার করতে চায় জাপান, যা বলল ভারত ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে, আবার সাগরে ছুটবে মাছ ধরার নৌকা গঙ্গা পানি চুক্তি নবায়নে ভারতের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ: এএফপির প্রতিবেদন প্রাথমিকে শিক্ষকতায় প্রকৌশলী-চিকিৎসক–এমফিল-পিএইচডিসহ ৩০ ধরনের ডিগ্রিধারীরা সরকারি দলের পক্ষে সমর্থনের অভিযোগ, ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সুলভ সরকারি এলপিজি কোথায় যায়, কারা পায় ব্যাংক খাত ঠিক হবে তো? ফ্রান্সসহ ইউরোপে বিক্ষোভের জন্য মুসলমানরা দায়ী! স্বাধীন বাংলাদেশের সংস্কৃতির সংকট

বহুপাক্ষিকতা ও জাতিসংঘ সংস্কারে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করলেন হুমায়ুন

Reporter Name

জাতীয় ডেস্ক: জাতিসংঘ দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের জোরালো ভূমিকা ও প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরেছেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে বাংলাদেশ সবসময় বহুপাক্ষিক কূটনীতির প্রতি অবিচল আস্থাশীল এবং বর্তমান বৈশ্বিক সংকটগুলো সফলভাবে মোকাবিলা করার জন্য জাতিসংঘের কাঠামোগত সংস্কার অত্যন্ত জরুরি। বর্তমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও সংঘাতের এই সময়ে বহুপাক্ষিক ব্যবস্থার কোনো বিকল্প নেই বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার দেশে গণতান্ত্রিক ধারা সুসংহত করতে, মানবাধিকার রক্ষা করতে এবং সব ক্ষেত্রে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে বদ্ধপরিকর। এছাড়া জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের একষট্টিতম অধিবেশনে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়া আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ক্রমবর্ধমান কূটনৈতিক সাফল্য ও সক্রিয় অংশগ্রহণেরই এক বড় প্রমাণ।

বিশ্বশান্তি বজায় রাখতে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন যে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে অন্যতম প্রধান সেনাপ্রদানকারী দেশ হিসেবে আমাদের শান্তিরক্ষীরা বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার পাশাপাশি নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে নারী নেতৃত্ব ও তাদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ সর্বদা অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।

মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া লক্ষাধিক রোহিঙ্গার দ্রুত ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক মহলের আরও জোরালো সহযোগিতার দাবি জানান তিনি। একইসঙ্গে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য পর্যাপ্ত অর্থায়ন এবং উন্নত প্রযুক্তির সহজ হস্তান্তরের ওপর তিনি বিশেষ জোর দেন।