October 29, 2026, 4:05 am
শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরলেন হুইপ জি কে গউছ মাতারবাড়ী হয়ে ‘সেভেন সিস্টার্সে’র সঙ্গে সংযোগ জোরদার করতে চায় জাপান, যা বলল ভারত ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে, আবার সাগরে ছুটবে মাছ ধরার নৌকা গঙ্গা পানি চুক্তি নবায়নে ভারতের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ: এএফপির প্রতিবেদন প্রাথমিকে শিক্ষকতায় প্রকৌশলী-চিকিৎসক–এমফিল-পিএইচডিসহ ৩০ ধরনের ডিগ্রিধারীরা সরকারি দলের পক্ষে সমর্থনের অভিযোগ, ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সুলভ সরকারি এলপিজি কোথায় যায়, কারা পায় ব্যাংক খাত ঠিক হবে তো? ফ্রান্সসহ ইউরোপে বিক্ষোভের জন্য মুসলমানরা দায়ী! স্বাধীন বাংলাদেশের সংস্কৃতির সংকট

পুলিশের জন্য কেনা হবে ৬ হাজার ৬০৯ কোটি টাকার গাড়ি

Reporter Name

জাতীয় ডেস্ক: দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং পুলিশের অপারেশনাল কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে বড় ধরনের কেনাকাটার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশের জন্য বিপুল পরিমাণ নতুন যানবাহন সংগ্রহের একটি বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে, যার মূল লক্ষ্য মাঠপর্যায়ে পুলিশের যাতায়াত ও কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই প্রকল্পের আওতায় মোট পাঁচ হাজার আটশ ত্রিশটি গাড়ি সংগ্রহ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব যানবাহনের পেছনে সরকারের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ছয় হাজার ছয়শ নয় কোটি টাকা। পুলিশের বর্তমান গাড়ির সংকট নিরসন এবং জরাজীর্ণ ও মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহনগুলো পর্যায়ক্রমে নতুন গাড়ি দিয়ে প্রতিস্থাপন করার জন্য এই বিশাল বাজেটের প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

তবে এত বড় অংকের আর্থিক ব্যয়ের বিষয়টি সামনে আসার পর থেকেই তা নিয়ে নানা মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। সরকারের নীতিনির্ধারক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের একটি অংশ মনে করছেন, বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ সংস্থান করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে। তাছাড়া, দেশের সামগ্রিক আর্থিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই ব্যয়ের যৌক্তিকতা নিয়েও কিছু মহলে প্রশ্ন উঠেছে।

যানবাহন ক্রয়ের পাশাপাশি পরবর্তীতে এগুলোর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ, জ্বালানি খরচ এবং যন্ত্রাংশ প্রতিস্থাপনের মতো বিষয়গুলো নিয়েও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে কিছুটা সংশয় রয়েছে। ভবিষ্যতে এই বিশাল বহর পরিচালনার জন্য নিয়মিত বাজেটের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। ফলে প্রকল্পটির চূড়ান্ত অনুমোদনের আগে এর অর্থনৈতিক দিকগুলো আরও গভীরভাবে যাচাই-বাছাই করা প্রয়োজন বলে মত দিয়েছেন অনেকে।