October 29, 2026, 4:56 am
শিরোনাম :
ভোট দিয়ে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল বললেন, ‘শতভাগ জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী’ প্রাণ-আরএফএল প্রেজেন্টস প্রিজম এআই ক্রিয়েটিভ অ্যাওয়ার্ডসের চূড়ান্ত বিচারকার্যে দেশের বিশিষ্টজনেরা পকেটে হারমোনিকা, কোথায় পাব, দাম কত যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরলেন হুইপ জি কে গউছ মাতারবাড়ী হয়ে ‘সেভেন সিস্টার্সে’র সঙ্গে সংযোগ জোরদার করতে চায় জাপান, যা বলল ভারত ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে, আবার সাগরে ছুটবে মাছ ধরার নৌকা গঙ্গা পানি চুক্তি নবায়নে ভারতের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ: এএফপির প্রতিবেদন প্রাথমিকে শিক্ষকতায় প্রকৌশলী-চিকিৎসক–এমফিল-পিএইচডিসহ ৩০ ধরনের ডিগ্রিধারীরা সরকারি দলের পক্ষে সমর্থনের অভিযোগ, ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সুলভ সরকারি এলপিজি কোথায় যায়, কারা পায়

ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসব বন্ধে প্রয়োজনীয় সব করা হবে: ধর্মমন্ত্রী

Reporter Name

জাতীয় ডেস্ক: সমাজ থেকে মাদক, ঘুষ, দুর্নীতি এবং বিভিন্ন ধরনের অন্যায়-অবিচার দূর করতে আলেম ও ইমাম সমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, সমাজের নৈতিক অবক্ষয় রোধে ধর্মীয় নেতাদের প্রভাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং তাদের সঠিক দিকনির্দেশনা সাধারণ মানুষের মাঝে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে।

ধর্মমন্ত্রী বিশেষ করে জুমার নামাজের খুতবায় নিয়মিতভাবে এসব সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে কথা বলার ওপর জোর দেন। তার মতে, মসজিদগুলো কেবল ইবাদতের স্থান নয়, বরং তা নৈতিক শিক্ষা ও জনসচেতনতা তৈরির অন্যতম বড় কেন্দ্র। জুমার খুতবায় মাদকের কুফল, দুর্নীতির ভয়াবহতা এবং অন্যায়ের পরিণতি তুলে ধরলে তা মুসল্লিদের মনে গভীর রেখাপাত করবে এবং সমাজ সংস্কারে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

মন্ত্রী আরও বলেন যে, দেশের ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে যাতে কোনো ধরনের অনিয়ম বা নেতিবাচক কার্যক্রম না ঘটে, সে বিষয়ে সরকার অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং ধর্মীয় শিক্ষার সঠিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ধর্মীয় প্রতিনিধিরা মন্ত্রীর এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেন এবং সমাজ গঠনে আলেম সমাজের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তারা মনে করেন, প্রশাসন ও ধর্মীয় নেতৃত্বের যৌথ প্রচেষ্টায় দেশ থেকে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বহুলাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।