October 28, 2026, 7:10 am
শিরোনাম :
কম্বোডিয়া থেকে ৯ মাসে বহিষ্কার তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি, আলোচনায় সাইবার স্ক্যাম জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কারো অবৈধ সাম্রাজ্য টিকানোর দায়িত্ব পুলিশের নয়: হাসনাত আবদুল্লাহ বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রথম ই-পারিবারিক আপিল আদালত চালু হচ্ছে কাল সমুদ্রে মাছের অভয়াশ্রম তৈরি করা হচ্ছে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আইজিপির দায়িত্ব থেকে অতি দ্রুত সরে যাওয়া উচিত: নাহিদ ইসলাম ভারি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত অন্ধ্রপ্রদেশের জনজীবন, প্রায় ২ লাখ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ইউনিক্লোকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান দর্শকের চেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যই যেন বেশি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গভর্নরের বৈঠক, ঢাকায় কার্যালয় খোলার আলোচনা

দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় মাঠে থাকবে ১০ হাজার বিজিবি

Reporter Name

জাতীয় ডেস্ক: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ব্যাপক নিরাপত্তা প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এই আয়োজনে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সারা দেশে প্রায় ১০ হাজার বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্য মোতায়েন করা হবে। আগামী ১৬ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত এই বিশেষ দায়িত্ব পালন করবেন সীমান্তরক্ষী বাহিনীর এই সদস্যরা। সম্প্রতি বিজিবি সদর দপ্তরের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজিবি সদর দপ্তরের অপারেশন পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, পূজা উপলক্ষে একটি সমন্বিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় নিয়মিত টহল কার্যক্রম জোরদার করার পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ বাহিনী এবং পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের মাধ্যমে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। সম্ভাব্য সব ধরনের ঝুঁকি আগে থেকেই চিহ্নিত করে তা মোকাবিলার প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।

নিরাপত্তা পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরে ওই কর্মকর্তা জানান, সীমান্তের আট কিলোমিটারের মধ্যে এবং ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরের কাছাকাছি এলাকাসমূহের মোট দুই হাজার ৭২৭টি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা সহায়তা দেবে বিজিবি। যেসব মণ্ডপ তুলনামূলকভাবে দূরবর্তী বা দুর্গম স্থানে অবস্থিত, সেখানে দ্রুত সাহায্য ও টহল পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করা হবে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়ানো কিংবা যেকোনো ধরনের সাম্প্রদায়িক উসকানি প্রতিরোধে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

রাজধানী ঢাকার ক্ষেত্রে নিরাপত্তার পরিধি ও সদস্য মোতায়েন সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশনা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চাহিদার ওপর নির্ভর করবে বলে জানানো হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে টহল দল প্রস্তুত রাখা হবে। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের এক দীর্ঘ ঐতিহ্যের দেশ উল্লেখ করে বিজিবি জানিয়েছে, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে সম্পূর্ণ নিরাপদে ও আনন্দের সঙ্গে তাঁদের উৎসব উদ্‌যাপন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে তারা সর্বাত্মকভাবে প্রস্তুত রয়েছে।