October 28, 2026, 8:31 pm
শিরোনাম :
নেতানিয়াহুকে সরাতে আরব দলগুলোর সঙ্গে ঐক্যের ডাক গোলানের গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানেরও ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই চার জুটির চার রকম প্রেম, তিন নতুন মুখের অভিষেক নভেম্বরে ইন্ডিয়া জোটের সমাবেশ, সমর্থন জানাল ককরোচ পার্টি ১২৬৯ ভবনের মালিককে রাজউকের চূড়ান্ত নোটিশ, নির্দেশনা না মানলে ব্যবস্থা দাঁড়িয়ে গেলেন পঞ্চাশোর্ধ্ব নারী, অথচ বসে থাকলেন তরুণ ও মধ্যবয়সী পুরুষেরা আগৈলঝাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি গ্রেপ্তার তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ছাড়া গত্যন্তর নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিনস প্যান্ট ও অন্তর্বাসে পাচারের চেষ্টা, শাহজালালে মিলল ২৪ কোটি টাকার সোনা আরব দলগুলোর চমক, তৈরি হতে পারে নেতানিয়াহুর বিদায়ের পথ

ত্রিদেশীয় সিরিজে চ্যাম্পিয়ন আফগানিস্তান

Reporter Name

খেলা ডেস্ক: সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের ফাইনালে জিম্বাবুয়েকে ৭ উইকেটে পরাজিত করে শিরোপা নিজেদের করে নিয়েছে আফগানিস্তান। ফাইনাল ম্যাচে শুরু থেকেই দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শনী উপহার দেয় রশিদ খানের দল। টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া জিম্বাবুয়ে দলীয় শুরুতেই আফগান বোলারদের সাঁড়াশি আক্রমণের মুখে পড়ে। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে নির্ধারিত ওভারের আগেই গুটিয়ে যায় তারা।

আফগানিস্তানের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে জিম্বাবুয়ের ব্যাটাররা বড় কোনো জুটি গড়তে ব্যর্থ হন। দলের পক্ষে অধিনায়ক সিকান্দার রাজা একাই লড়াই চালিয়ে যান এবং ৮৩ বল মোকাবেলা করে ৬৮ রানের একটি দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন। তা সত্ত্বেও দলের বাকিরা ব্যর্থ হওয়ায় আফগান বোলারদের তোপে পড়ে শেষ পর্যন্ত ৪৩ ওভারের বেশি স্থায়ী হতে পারেনি জিম্বাবুয়ে ইনিংস এবং মাত্র ১৬৯ রানেই অলআউট হয়ে যায়। আফগানদের পক্ষে অভিজ্ঞ লেগ স্পিনার রশিদ খান তিনটি উইকেট শিকার করেন। এছাড়া ফজলহক ফারুকি, বিলাল সামি এবং মোহাম্মদ নবী প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নিয়ে প্রতিপক্ষকে কম রানে আটকে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

জিম্বাবুয়ের দেওয়া সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আফগানিস্তানের ওপেনাররা শুরু থেকেই মারমুখী মেজাজে ব্যাট করতে শুরু করেন। দলের হয়ে রহমানউল্লাহ গুরবাজ দ্রুত গতিতে রান তুলে দলকে ভালো একটি সূচনা এনে দেন। যদিও জিম্বাবুয়ের বোলার নিউম্যান নিয়ামহুরির আঘাতে গুরবাজ এবং সেদিকউল্লাহ আতাল দ্রুত ফিরে গেলে কিছুটা ধাক্কা খায় আফগানরা। তবে সেই প্রাথমিক চাপ খুব বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দেননি অভিজ্ঞ ব্যাটাররা।

এরপর দলের রান তাড়ার ইনিংসের মূল দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন ইব্রাহিম জাদরান ও রহমত শাহ। এই দুই ব্যাটার উইকেটে থিতু হয়ে অত্যন্ত দায়িত্বশীল একটি জুটি গড়ে তোলেন যা দলের জয় নিশ্চিত করে। ইব্রাহিম জাদরান ৯৬ বলে অপরাজিত ৭০ রানের চমৎকার এক ইনিংস খেলেন এবং তাকে যোগ্য সঙ্গ দেওয়া রহমত শাহ ৬৩ বলে করেন ৪৩ রান। তাদের এই জুটি ভাঙার আগে স্কোরবোর্ডে মূল্যবান ৮২ রান যোগ হয়। পরবর্তীতে রহমত শাহ আউট হলেও ইব্রাহিম জাদরান ও অধিনায়ক হাশমতউল্লাহ শহিদি দলের বাকি পথ অনায়াসেই পার করে ফেলেন এবং ৩৪ ওভারেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় আফগানিস্তান।

ফাইনাল ম্যাচে দুর্দান্ত ব্যাটিং নৈপুণ্য প্রদর্শনের জন্য ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন ইব্রাহিম জাদরান। অন্যদিকে, পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে ধারাবাহিকভাবে দারুণ পারফরম্যান্স উপহার দেওয়ার সুবাদে সিরিজ সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার উঠেছে আফগান অধিনায়ক ও তারকা স্পিনার রশিদ খানের হাতে। এই জয়ে আফগানিস্তান দল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজেদের ক্রমবর্ধমান শক্তির আরও একটি জোরালো প্রমাণ রাখল।