October 28, 2026, 4:45 am
শিরোনাম :
দর্শকের চেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যই যেন বেশি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গভর্নরের বৈঠক, ঢাকায় কার্যালয় খোলার আলোচনা বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপ-নির্বাচন: জামায়াত-বিএনপির পাল্টাপাল্টি অভিযোগ আচরণবিধি লঙ্ঘন ও পক্ষপাতিত্বের পত্রিকা: ‘নতুন পে-স্কেলে বেতন দিতে ব্যাংক ঋণ নেয়া বাড়িয়েছে সরকার’ অর্থনীতির বিপদ ক্ষমতাসীনরা টের পেতে শুরু করেছেন মধ্যবর্তী নির্বাচনে হেরে গেলেও কি ট্রাম্পের তাণ্ডব থামবে এখনই কেন দূরে তাকাচ্ছেন না নাজমুল হাতে ব্যালন ডি’অর, মাথায় ব্যবসার বুদ্ধি—যেভাবে দুই ভুবনের ‘রাজা’ কেইন হার্ভার্ডে সম্পূর্ণ অর্থায়নে ফেলোশিপের সুযোগ

তৃণমূলের ১০ বিধায়কের পদ বাতিলের আবেদন খারিজ করলেন স্পিকার

Reporter Name

রাজনীতি ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জমা দেওয়া ১০ জন বিধায়কের সদস্যপদ বাতিলের আবেদন আনুষ্ঠানিকভাবে খারিজ করে দিয়েছেন স্পিকার। শাসকদলের পক্ষ থেকে এই বিধায়কদের বিরুদ্ধে দলত্যাগী হওয়ার অভিযোগ এনে পদ হারানোর দাবি জানানো হয়েছিল। তবে দীর্ঘ শুনানির পর বিধানসভার স্পিকার এই আবেদন নাকচ করে দেন, যা রাজ্য রাজনীতিতে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ একটি ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আইনি লড়াইয়ের এই পর্বে অভিযুক্ত বিধায়কদের পক্ষ থেকে স্পিকারের কাছে জোরালো যুক্তি পেশ করা হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের আইনজীবীরা দাবি করেন যে, বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় যে পুরনো আইনের ভিত্তিতে এই পদ খারিজের আবেদন করেছিলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে তা সম্পূর্ণ অকার্যকর। মূলত বিধানসভার বর্তমান নিয়মকানুন এবং আইনি জটিলতার কারণেই ওই আবেদনটি টিকতে পারেনি বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিধানসভার অন্দরে এই সিদ্ধান্ত আসার পর রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। বিরোধীরা এই ঘটনায় শাসকদলের কৌশলগত ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেও, সংশ্লিষ্ট বিধায়করা এই রায়কে নিজেদের পক্ষে আইনি জয় বলেই মনে করছেন। এর ফলে আপাতত ওই দশ বিধায়কের বিধানসভার সদস্যপদ নিয়ে কোনো আইনি সংকট রইল না এবং তাঁরা তাঁদের নিজ নিজ পদে বহাল থাকছেন।

উল্লেখ্য, এর আগেও দলবদল সংক্রান্ত বিভিন্ন মামলা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে নানা জলঘোলা হয়েছে। বর্তমান রায়ের পর এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে ভবিষ্যতে আইনি লড়াইয়ের পরিধি আরও বাড়ে কি না, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে সব মহলের। বিধানসভার স্পিকারের এই আদেশের ফলে আপাতত স্বস্তিতে রয়েছেন অভিযুক্ত জনপ্রতিনিধিরা।