October 28, 2026, 3:21 am
শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও উপ-নির্বাচন: জামায়াত-বিএনপির পাল্টাপাল্টি অভিযোগ আচরণবিধি লঙ্ঘন ও পক্ষপাতিত্বের পত্রিকা: ‘নতুন পে-স্কেলে বেতন দিতে ব্যাংক ঋণ নেয়া বাড়িয়েছে সরকার’ অর্থনীতির বিপদ ক্ষমতাসীনরা টের পেতে শুরু করেছেন মধ্যবর্তী নির্বাচনে হেরে গেলেও কি ট্রাম্পের তাণ্ডব থামবে এখনই কেন দূরে তাকাচ্ছেন না নাজমুল হাতে ব্যালন ডি’অর, মাথায় ব্যবসার বুদ্ধি—যেভাবে দুই ভুবনের ‘রাজা’ কেইন হার্ভার্ডে সম্পূর্ণ অর্থায়নে ফেলোশিপের সুযোগ এআইয়ের সঙ্গে করা চ্যাট ডিলিট করলেও সব ডিলিট হয় না এআইয়ের পানি ব্যবহার নিয়ে স্যাম অল্টম্যানের দাবি কতটা সত্য জীববৈচিত্র্য: প্লাস্টিক বর্জ্যে সয়লাব সুন্দরবন

কমছে মানুষের চিন্তার ক্ষমতা, চ্যাটজিপিটি ব্যবহারে নতুন সতর্কতা

Reporter Name

প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসারের ফলে মানুষের দৈনন্দিন জীবন সহজ হলেও এর কিছু নেতিবাচক প্রভাবও সামনে আসছে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, চ্যাটজিপিটির মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চ্যাটবট বা টুলগুলোর ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা মানুষের নিজস্ব চিন্তা করার ক্ষমতা ও সৃজনশীলতা ধীরে ধীরে কমিয়ে দিচ্ছে। গবেষকদের মতে, চটজলদি সমাধান পাওয়ার প্রবণতা মানুষের মনস্তাত্ত্বিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করছে।

এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে বোস্টন এলাকার ১৮ থেকে ৩৯ বছর বয়সী ৫৪ জন স্বাস্থ্যবান অংশগ্রহণকারীকে নিয়ে একটি গবেষণা পরিচালনা করা হয়। গবেষক দলটি এই অংশগ্রহণকারীদের তিনটি ভিন্ন দলে বিভক্ত করে তাদের সামনে বুদ্ধিবৃত্তিক মূল্যায়নের অংশ হিসেবে এসএটি পরীক্ষার আদলে প্রবন্ধ লেখার কাজ দেন। অংশগ্রহণকারীদের কাজের ধরন ও দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাবগুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়।

পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মধ্যে প্রথম দলটি সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে নিজেদের বুদ্ধিমত্তা ও মেধা ব্যবহার করে প্রবন্ধ লেখে। অন্যদিকে, বাকি দলগুলোকে তাদের লেখালেখির কাজে চ্যাটজিপিটি ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হয় বা নির্দিষ্ট নির্দেশনা প্রদান করা হয়। পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণ করে গবেষক দল দেখতে পায় যে, যারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্য নিয়েছে তাদের লেখার মান এবং নিজস্ব চিন্তার গভীরতা তুলনামূলকভাবে বেশ কম ছিল।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কোনো রকম কষ্ট বা মস্তিষ্ক চালনা ছাড়াই যদি সব ধরনের উত্তর ও তথ্য হাতের কাছে পাওয়া যায়, তবে মানুষের মস্তিষ্কের বিশ্লেষণধর্মী ক্ষমতা লোপ পেতে শুরু করে। তাই প্রযুক্তি ব্যবহারে সংযত না হলে আগামী দিনে তরুণ প্রজন্মের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে তারা সতর্ক করেছেন।