October 28, 2026, 9:02 pm
শিরোনাম :
বীমা কোম্পানির সিএফও হতে লাগবে ৭ যোগ্যতা পুলিশের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ নেতানিয়াহুকে সরাতে আরব দলগুলোর সঙ্গে ঐক্যের ডাক গোলানের গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানেরও ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই চার জুটির চার রকম প্রেম, তিন নতুন মুখের অভিষেক নভেম্বরে ইন্ডিয়া জোটের সমাবেশ, সমর্থন জানাল ককরোচ পার্টি ১২৬৯ ভবনের মালিককে রাজউকের চূড়ান্ত নোটিশ, নির্দেশনা না মানলে ব্যবস্থা দাঁড়িয়ে গেলেন পঞ্চাশোর্ধ্ব নারী, অথচ বসে থাকলেন তরুণ ও মধ্যবয়সী পুরুষেরা আগৈলঝাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি গ্রেপ্তার তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ছাড়া গত্যন্তর নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইনুর মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল করেছে প্রসিকিউশন

Reporter Name

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের শীর্ষ নেতা হাসানুল হক ইনুর সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আপিল আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ বা প্রসিকিউশন। সম্প্রতি প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে এই আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং ট্রাইব্যুনালে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়েছেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম সংবাদমাধ্যমকে এই আপিলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের জানান যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে প্রসিকিউশন তার ফাঁসি বা মৃত্যুদণ্ড প্রার্থনা করেছে। মামলার কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে এই আপিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।

এর আগে বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় হাসানুল হক ইনুর নাম উঠে আসে এবং তাকে এই মামলাগুলোতে অভিযুক্ত করা হয়। দেশের বিভিন্ন মহলে আলোচিত এসব ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করে আসছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও আন্দোলনকারীরা। রাষ্ট্রপক্ষের এই আপিল আবেদনের ফলে মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ায় নতুন মোড় নিয়েছে এবং আইনি লড়াই আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

আগামীতে ট্রাইব্যুনালের বিচারিক কার্যক্রমে এই আপিল শুনানির জন্য দিন ধার্য করা হতে পারে বলে জানা গেছে। প্রসিকিউশন পক্ষ থেকে ট্রাইব্যুনালে যথেষ্ঠ তথ্য ও প্রমাণ উপস্থাপন করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। অন্যদিকে, আসামিপক্ষও তাদের আইনি কৌশল নির্ধারণের কাজ শুরু করেছে। সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই মামলার রায় দেশের বিচার ব্যবস্থার ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে বলে মনে করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।