October 29, 2026, 3:56 am
শিরোনাম :
মাতারবাড়ী হয়ে ‘সেভেন সিস্টার্সে’র সঙ্গে সংযোগ জোরদার করতে চায় জাপান, যা বলল ভারত ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে, আবার সাগরে ছুটবে মাছ ধরার নৌকা গঙ্গা পানি চুক্তি নবায়নে ভারতের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ: এএফপির প্রতিবেদন প্রাথমিকে শিক্ষকতায় প্রকৌশলী-চিকিৎসক–এমফিল-পিএইচডিসহ ৩০ ধরনের ডিগ্রিধারীরা সরকারি দলের পক্ষে সমর্থনের অভিযোগ, ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সুলভ সরকারি এলপিজি কোথায় যায়, কারা পায় ব্যাংক খাত ঠিক হবে তো? ফ্রান্সসহ ইউরোপে বিক্ষোভের জন্য মুসলমানরা দায়ী! স্বাধীন বাংলাদেশের সংস্কৃতির সংকট মঞ্চে আসছে নবরসের নতুন নাটক ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’

সম্প্রীতির এই ধারাবাহিকতা অটুট থাকুক

Reporter Name

জাতীয় ডেস্ক: আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা হিন্দু সম্প্রদায়ের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের সঙ্গে এক বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এই বৈঠকের আয়োজন করেন। দেশের বর্তমান সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সঙ্গে এই ধরনের সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বৈঠক চলাকালে জামায়াত আমির হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে অত্যন্ত আন্তরিক পরিবেশে কুশল বিনিময় করেন এবং পূজার প্রস্তুতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের নিজ নিজ ধর্ম পালনের পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে এবং সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু বলে এখানে কোনো ভেদাভেদ থাকা উচিত নয়। দেশের সব মানুষের সমান অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর তিনি বিশেষ জোর দেন।

হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরাও এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন যে, উৎসবের দিনগুলোতে সার্বিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে এ ধরনের আলোচনা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। তারা দেশের বিভিন্ন মন্দিরে উৎসব উদযাপনের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট মহলের সহযোগিতা কামনা করেন। জবাবে বিরোধীদলীয় নেতা তাদের সর্বাত্মক নিরাপত্তা ও সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

বৈঠকের শেষ পর্যায়ে দেশের শান্তি, অগ্রগতি এবং সব ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান কামনায় বিশেষ আলোচনা করা হয়। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে অস্থিতিশীলতা রোধে এবং সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক আস্থার পরিবেশ বজায় রাখতে এ ধরনের সংলাপ অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।