October 28, 2026, 8:03 am
শিরোনাম :
বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ জানতে এবার উচ্চপর্যায়ের কমিটি গাজীপুর কর অঞ্চলে চাকরি, পদ ৩৪ মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ কম্বোডিয়া থেকে ৯ মাসে বহিষ্কার তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি, আলোচনায় সাইবার স্ক্যাম জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কারো অবৈধ সাম্রাজ্য টিকানোর দায়িত্ব পুলিশের নয়: হাসনাত আবদুল্লাহ বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রথম ই-পারিবারিক আপিল আদালত চালু হচ্ছে কাল সমুদ্রে মাছের অভয়াশ্রম তৈরি করা হচ্ছে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আইজিপির দায়িত্ব থেকে অতি দ্রুত সরে যাওয়া উচিত: নাহিদ ইসলাম ভারি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত অন্ধ্রপ্রদেশের জনজীবন, প্রায় ২ লাখ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে

শাহজালালে ৮০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার, বিমানের দুই কর্মী আটক

Reporter Name

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিযান চালিয়ে বিশাল পরিমাণ অবৈধ স্বর্ণসহ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দুই কর্মীকে আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস কর্মকর্তারা বিমানবন্দরের রানওয়ে এলাকায় আগে থেকেই সতর্ক অবস্থানে ছিলেন। পরবর্তীতে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে দুবাই থেকে আসা একটি ফ্লাইটে তল্লাশি চালিয়ে এই চাঞ্চল্যকর চোরাচালানের ঘটনা উদ্ঘাটন করা হয়।

কাস্টমস সূত্রে জানা যায়, এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ইকে ০৫৮২ ফ্লাইটটি দুবাই থেকে ঢাকায় অবতরণ করার পর রানওয়েতে থাকা অবস্থায় সন্দেহভাজন দুই বিমানকর্মীকে আটক করা হয়। তল্লাশির সময় তাদের পরিহিত জুতার ভেতরে অত্যন্ত চতুরতার সাথে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় মোট ৮০টি স্বর্ণের বার জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত প্রতিটি স্বর্ণের বারের ওজন প্রায় ১১৭ গ্রাম বলে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

জব্দ করা সবকটি স্বর্ণের মোট ওজন প্রায় ৯.৩৪ কেজি এবং এর বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ১৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। বিমানকর্মীরা নিজেদের পেশাগত সুবিধা ও চলাচলের স্বাধীনতাকে কাজে লাগিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এই চোরাচালানের সাথে জড়িত ছিল বলে প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে। জুতার ভেতরে স্বর্ণ লুকানোর এই অভিনব কৌশল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে হতবাক করেছে।

আটককৃত বিমানকর্মীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং এই চোরাচালান চক্রের মূল হোতাদের চিহ্নিত করতে জোর তদন্ত শুরু হয়েছে। এই চালানের প্রকৃত উৎস কোথায় এবং দেশের বাইরে থেকে আসা এই স্বর্ণ কার কাছে হস্তান্তরের পরিকল্পনা ছিল, তা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। বিমানবন্দর এলাকায় চোরাচালান রোধে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়েছে।