October 28, 2026, 1:47 pm
শিরোনাম :
নার্সিসিস্টিক অ্যাবিউজের কারণে মস্তিষ্কের যে ধরনের ক্ষতি হয় ‘আওয়ামী স্টাইলে দেশ চালাতে চাইলে পরিণতিও তাদের মতোই হবে’ দক্ষ জনশক্তি গড়তে কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে বললেন রাষ্ট্রপতি ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধির আপাতত পরিকল্পনা নেই, জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী যে কারণে ২৫টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের দ্বিতীয় শিফট স্থগিত করল সরকার টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী দেশ মাফিয়া রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে: নাহিদ ইসলাম ৫ বছরে এক কোটি মানুষ বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্য: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী বিমান চলাচলের নিরাপত্তায় বিনিয়োগ জাতীয় অগ্রগতির ভিত্তি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর চিকিৎসাসেবার ইতিহাসে কালো অধ্যায়: জামায়াত আমির

শত্রু ড্রোন শিকারে তুরস্কের নতুন প্রযুক্তি ‘গোকাল্প’ উন্মোচন

Reporter Name

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আধুনিক যুদ্ধের কৌশল ও আকাশসীমার নিরাপত্তা জোরদার করতে নতুন এক ড্রোন প্রতিরোধী ব্যবস্থা উন্মোচন করেছে তুরস্ক। দেশটির শীর্ষস্থানীয় প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আসেলসান উদ্ভাবন করেছে এই অত্যাধুনিক ব্যবস্থাটি, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘গোকাল্প’। রাডার এবং উন্নত তড়িৎ-অপটিক্যাল প্রযুক্তির সমন্বয়ে তৈরি এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাটি শত্রু পক্ষের ড্রোন মুহূর্তের মধ্যে শনাক্ত করে তা আকাশে ধ্বংস করতে সক্ষম। মূলত ক্রমবর্ধমান ড্রোন হুমকির মুখে দেশের আকাশসীমা সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই বিশেষ প্রযুক্তিটি তৈরি করা হয়েছে।

তুরস্কের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসেলসানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই ব্যবস্থাটি যেকোনো যানবাহনে যুক্ত করে খুব সহজেই ব্যবহার করা যায়। নিজস্ব প্রযুক্তিতে নির্মিত গোকাল্প অত্যন্ত সাশ্রয়ী এবং সম্পূর্ণ চলনক্ষম একটি ড্রোন প্রতিরোধব্যবস্থা। সাম্প্রতিক সময়ে আসেলসানের ওগলবেই প্রযুক্তি ঘাঁটিতে এই নতুন প্রযুক্তির কার্যকারিতা প্রদর্শন করা হয়। সেখানে এর নিখুঁত কার্যক্ষমতা উপস্থিত সবার নজর কাড়ে এবং প্রযুক্তিটি যে মাঠপর্যায়ে অত্যন্ত কার্যকরী তা প্রমাণিত হয়।

প্রদর্শনী চলাকালীন সময়ে আউরা রাডারের সাহায্যে প্রথমে আকাশে একটি লক্ষ্যবস্তু বা শত্রু ড্রোন শনাক্ত করা হয়। এরপর ড্রোনডেফ ব্যবস্থার আধুনিক নিয়ন্ত্রণ সফটওয়্যারের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় তথ্য পৌঁছে দেওয়া হয় গোকাল্প ই১ নামের প্রতিরোধী ড্রোনের কাছে। এই নির্দেশ পাওয়ার পরপরই গোকাল্প ই১ অত্যন্ত দ্রুতগতিতে ছুটে যায় এবং সরাসরি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। এর ফলে কোনো ধরনের বিস্ফোরক ছাড়াই আকাশেই শত্রু ড্রোনটি টুকরো টুকরো হয়ে নিচে ভেঙে পড়ে।

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের ভাষায় এই পদ্ধতিকে ‘হিট-টু-কিল’ বলা হয়ে থাকে। এই কৌশলে দূরপাল্লার বা প্রচলিত অস্ত্রের মতো কোনো বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয় না, বরং সরাসরি সংঘর্ষের মাধ্যমেই কেবল লক্ষ্যবস্তুকে সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় করা হয়। আসেলসানের মতে, এই সফল পরীক্ষাটি প্রমাণ করে যে গোকাল্প ব্যবস্থার প্রতিটি উপাদান অত্যন্ত নিখুঁতভাবে একসঙ্গে কাজ করতে পারে। বাস্তব যুদ্ধপরিস্থিতিতে শত্রুর ড্রোন সফলভাবে প্রতিহত করার ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তিটি তুরস্কের সামরিক শক্তিকে আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।