October 28, 2026, 8:24 am
শিরোনাম :
বল প্রয়োগের শক্তিই হলো ‘বলের মাত্রা’ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ জানতে এবার উচ্চপর্যায়ের কমিটি গাজীপুর কর অঞ্চলে চাকরি, পদ ৩৪ মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ কম্বোডিয়া থেকে ৯ মাসে বহিষ্কার তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি, আলোচনায় সাইবার স্ক্যাম জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কারো অবৈধ সাম্রাজ্য টিকানোর দায়িত্ব পুলিশের নয়: হাসনাত আবদুল্লাহ বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রথম ই-পারিবারিক আপিল আদালত চালু হচ্ছে কাল সমুদ্রে মাছের অভয়াশ্রম তৈরি করা হচ্ছে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আইজিপির দায়িত্ব থেকে অতি দ্রুত সরে যাওয়া উচিত: নাহিদ ইসলাম

মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার: ছেলে বললেন, ‘ফেসবুক দেখে জাজ করেন’

Reporter Name

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হট্টগোল সৃষ্টি এবং কর্তব্যরত এক কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার চাঞ্চল্যকর অভিযোগে অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামানকে আটক করা হয়েছে। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিমানবন্দর এলাকায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করে। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, গত কিছুদিন আগে বিমানবন্দরের নির্দিষ্ট একটি কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার সময় তিনি নিয়মের তোয়াক্কা না করে চরম বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি করেন।

ঘটনার বিস্তারিত বিবরণে জানা যায়, বিমানবন্দর চত্বরে দায়িত্বরত একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে অবসরপ্রাপ্ত ওই সেনা কর্মকর্তার তীব্র বাকবিতণ্ডা বাঁধে। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে তিনি ওই কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এই অনভিপ্রেত আচরণে বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমে সাময়িক বিঘ্ন ঘটে এবং যাত্রীদের মধ্যেও চরম অসন্তোষ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

ঘটনার পর পরই বিমানবন্দরের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট থানায় একটি সুনির্দিষ্ট মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলার ভিত্তিতেই পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর যৌথ টিম সাবেক মেজর আখতারুজ্জামানকে আইনের আওতায় নিয়ে আসে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিমানবন্দর নিরাপত্তা আইনের পরিপন্থী এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না এবং আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে এই আটকের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তার ছেলে গণমাধ্যমকে জানান যে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া খণ্ডিত ভিডিও ও তথ্য দেখে তার বাবাকে বিচার করা হচ্ছে। পরিবারের দাবি, পুরো ঘটনার নেপথ্যে অন্য কোনো কারণ থাকতে পারে এবং পরিস্থিতি যেভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে বাস্তবে তা সম্পূর্ণ ভিন্ন ছিল। তবে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সাক্ষ্যপ্রমাণ ও সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই-বাছাই করেই পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ চূড়ান্ত করা হবে।